
সহিদুল আলম স্বপন, জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

একটা নামহীন স্রোত বয়ে যায়,
যেখানে তুমি আর আমি একই জলে মিলিনি কখনো।
তার উপস্থিতি—একটা নীরব শব্দ,
যা বুনো পাখির ডানার মতো হাওয়া কাটে মনে।
সে নেই কোনো মুখে, নেই কোনো শব্দে,
শুধু একটা ছায়া, যা কখনোই পূর্ণ হয় না।
তার মায়া হঠাৎ বৃষ্টির মতো এসে পড়ে,
তুমি ছাতাওয়ালা হলেও ভিজে যাও।
তার চোখের গভীরতা মানে জানো?
একটি বিশাল ভাঙা আয়না,
যার ভাঙা টুকরোগুলো আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে,
তুমি যা ধরতে চাও, তা চিরকাল ঢেলে গড়ায়।
সে যেমন কাছে, তেমনি দূরে—
একটু ছুঁয়ে দেখো, হাত থেকে ফসকে যায়,
তাই হয়তো তাকে বলা হয় মায়াবী,
যার অস্তিত্ব স্পর্শের বাইরে।
সে থাকে অনাবৃত এক ফাঁকা ঘরে,
যেখানে শব্দগুলো নিঃশব্দে পাড়ি দেয়,
আর তুমি ধীরে ধীরে বুঝতে পারো,
তার ভালোবাসা আসলে কোনো জায়গায় নয়,
একটা অনির্বচনীয় ফাঁক।

একটা নামহীন স্রোত বয়ে যায়,
যেখানে তুমি আর আমি একই জলে মিলিনি কখনো।
তার উপস্থিতি—একটা নীরব শব্দ,
যা বুনো পাখির ডানার মতো হাওয়া কাটে মনে।
সে নেই কোনো মুখে, নেই কোনো শব্দে,
শুধু একটা ছায়া, যা কখনোই পূর্ণ হয় না।
তার মায়া হঠাৎ বৃষ্টির মতো এসে পড়ে,
তুমি ছাতাওয়ালা হলেও ভিজে যাও।
তার চোখের গভীরতা মানে জানো?
একটি বিশাল ভাঙা আয়না,
যার ভাঙা টুকরোগুলো আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে,
তুমি যা ধরতে চাও, তা চিরকাল ঢেলে গড়ায়।
সে যেমন কাছে, তেমনি দূরে—
একটু ছুঁয়ে দেখো, হাত থেকে ফসকে যায়,
তাই হয়তো তাকে বলা হয় মায়াবী,
যার অস্তিত্ব স্পর্শের বাইরে।
সে থাকে অনাবৃত এক ফাঁকা ঘরে,
যেখানে শব্দগুলো নিঃশব্দে পাড়ি দেয়,
আর তুমি ধীরে ধীরে বুঝতে পারো,
তার ভালোবাসা আসলে কোনো জায়গায় নয়,
একটা অনির্বচনীয় ফাঁক।
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ব্যবস্থাও এই সংকটকে গভীর করেছে। সম্মাননা প্রদানের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব, নির্বাচনের মানদণ্ড প্রকাশ না করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সীমিত গোষ্ঠীর প্রভাব—এসব কারণে রাষ্ট্রের সদিচ্ছাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এই নির্বাচন কেবল আসনসংখ্যার হিসাব নয়; এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনারও ইঙ্গিত। তরুণ প্রজন্ম, ডিজিটাল রাজনীতি এবং সুশাসনের প্রশ্ন এখন নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দু। সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের জন্যই এটি আত্মসমালোচনা ও নীতিগত পুনর্গঠনের সময়।
আমি রোগীকে বলতে গেলাম। দেখি বউটা কাঁদছে। মেরি ওর নাম। রোগী বলছে, মেরি কেন যে এতটা ঝামেলা করে। ডাক্তার আমাদের চলে যেতে দাও। আমি বললাম, আরেকজন ডাক্তার আছেন যার ওপেনিয়ন নিতে হবে। তিনি তোমাদের চলে যেতে বললে আমি ডিসচার্জ করে দেব, সমস্যা নেই।
তিনি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত নিরলস প্রচারণা চালিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো রাজনৈতিক নেতার সহধর্মিণীর এমন সক্রিয় ও দীর্ঘ সময় মাঠে থাকার নজির খুব কমই দেখা যায়। তিনি শুধু মঞ্চে ভাষণ দেননি; তিনি মানুষের পাশে বসেছেন, তাদের কথা শুনেছেন।