
বিডিজেন ডেস্ক

বরের জন্য একটি প্রাইভেট কার ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে রেলক্রসিং পারাপারের সময় গাড়িটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রাইভেট কারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি খাদে পড়ে যায়। গাড়ির ভেতরে থাকা চালক আহত হন।
খবর প্রথম আলোর।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি( বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ রেলস্টেশনসংলগ্ন শাহ মালুম মাজারের পাশের রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. হোসেন আহমদ (৩৮) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মণাবন্দ গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট শহর থেকে আজ সকালে বরকে বিয়ের আসরে নেওয়ার জন্য একটি প্রাইভেট কার ফুল দিয়ে সাজানোর পর ফেঞ্চুগঞ্জে নেওয়া হচ্ছিল। প্রাইভেট কারটি ফেঞ্চুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা দিয়ে শাহ মালুম মাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। পথে রেললাইন পেরিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গাড়িটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় গাড়িটি রেললাইনের ওপর থেকে সরানো যাচ্ছিল না। অন্যদিকে সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেট কারটিকে একই সময়ে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। প্রাইভেট কারটি দুমড়েমুচড়ে চালক আহত হন। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা এগিয়ে এসে চালককে উদ্ধার করে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
স্থানীয় বাসিন্দা রুমেল আলী বলেন, রেলক্রসিংটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় আছে। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন দাবি তুললেও এতে গেটম্যান বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ওই এলাকায় প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। তবে আজ মঙ্গলবার কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিনরুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় আহত প্রাইভেট কারের চালককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। প্রাইভেট কারটি উদ্ধারের তৎপরতা চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো

বরের জন্য একটি প্রাইভেট কার ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথে রেলক্রসিং পারাপারের সময় গাড়িটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রাইভেট কারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি খাদে পড়ে যায়। গাড়ির ভেতরে থাকা চালক আহত হন।
খবর প্রথম আলোর।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি( বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ রেলস্টেশনসংলগ্ন শাহ মালুম মাজারের পাশের রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. হোসেন আহমদ (৩৮) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মণাবন্দ গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট শহর থেকে আজ সকালে বরকে বিয়ের আসরে নেওয়ার জন্য একটি প্রাইভেট কার ফুল দিয়ে সাজানোর পর ফেঞ্চুগঞ্জে নেওয়া হচ্ছিল। প্রাইভেট কারটি ফেঞ্চুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা দিয়ে শাহ মালুম মাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। পথে রেললাইন পেরিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গাড়িটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় গাড়িটি রেললাইনের ওপর থেকে সরানো যাচ্ছিল না। অন্যদিকে সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেন রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেট কারটিকে একই সময়ে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। প্রাইভেট কারটি দুমড়েমুচড়ে চালক আহত হন। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা এগিয়ে এসে চালককে উদ্ধার করে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
স্থানীয় বাসিন্দা রুমেল আলী বলেন, রেলক্রসিংটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় আছে। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন দাবি তুললেও এতে গেটম্যান বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ওই এলাকায় প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। তবে আজ মঙ্গলবার কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিনরুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনায় আহত প্রাইভেট কারের চালককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। প্রাইভেট কারটি উদ্ধারের তৎপরতা চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”