
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে একটি তেলের গুদামসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। গতকাল রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় লাগা এই আগুন আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুরোপুরি নিভেছে।
খবর প্রথম আলোর।
আগুনে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আসবাবপত্রের দোকান ও কারখানার।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. নুরুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের নিচে কারখানা ও ওপরে শোরুম ছিল। প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল ছিল এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, একটি তেলের গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আগুন লাগার খবরে তারা অনেকেই আগুন নেভাতে এসেছিলেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা প্রচণ্ড ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।
বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ও তার পাশের তেলের গুদাম, এস আলম ফার্নিচার, শাকিলের ভাঙারি দোকান, ঝুটের দোকান, একটি স্টেশনারি দোকানসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আজ সকাল ৮টার দিকে সরেজমিন ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের সদস্যদের আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা গেছে।
সলিমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে তেলের গুদামে আগুন লেগেছে। এরপর পাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
সকালে ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক। তিনি জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো গেছে। পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব লোহার কাঠামো দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। আগুনের তীব্রতায় লোহা গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়ে যাচ্ছিল। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক লাইনে তখন বিদ্যুৎ ছিল। সব মিলিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজ করতে হয়েছে। আগুন রাতে নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নেভাতে প্রায় ৯ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘পুরো এলাকা ঘুরে দেখেছি। দোকানগুলোতে মালামাল রাখার কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। ফলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পৌঁছাতে সমস্যা হয়েছে। এ ছাড়া, বৈদ্যুতিক তারেরও লুজ কানেকশন ছিল।’
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বলেন, আগুনে প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। তেলের গুদাম ও আসবাবের কারখানা থাকায় আগুনের তীব্রতা অত্যন্ত বেশি ছিল। ফলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে একটি তেলের গুদামসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। গতকাল রোববার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় লাগা এই আগুন আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুরোপুরি নিভেছে।
খবর প্রথম আলোর।
আগুনে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আসবাবপত্রের দোকান ও কারখানার।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. নুরুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের নিচে কারখানা ও ওপরে শোরুম ছিল। প্রায় ১ কোটি টাকার মালামাল ছিল এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, একটি তেলের গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আগুন লাগার খবরে তারা অনেকেই আগুন নেভাতে এসেছিলেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা প্রচণ্ড ছিল। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।
বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ও তার পাশের তেলের গুদাম, এস আলম ফার্নিচার, শাকিলের ভাঙারি দোকান, ঝুটের দোকান, একটি স্টেশনারি দোকানসহ ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আজ সকাল ৮টার দিকে সরেজমিন ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিটের সদস্যদের আগুন নেভাতে দেখা যায়। এ সময় সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা গেছে।
সলিমপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে তেলের গুদামে আগুন লেগেছে। এরপর পাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
সকালে ঘটনাস্থলে আসেন ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক আবদুল মালেক। তিনি জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো গেছে। পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব লোহার কাঠামো দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। আগুনের তীব্রতায় লোহা গলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়ে যাচ্ছিল। তা ছাড়া বৈদ্যুতিক লাইনে তখন বিদ্যুৎ ছিল। সব মিলিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজ করতে হয়েছে। আগুন রাতে নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নেভাতে প্রায় ৯ ঘণ্টা সময় লেগেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘পুরো এলাকা ঘুরে দেখেছি। দোকানগুলোতে মালামাল রাখার কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। ফলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের পৌঁছাতে সমস্যা হয়েছে। এ ছাড়া, বৈদ্যুতিক তারেরও লুজ কানেকশন ছিল।’
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বলেন, আগুনে প্রায় ১০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। তেলের গুদাম ও আসবাবের কারখানা থাকায় আগুনের তীব্রতা অত্যন্ত বেশি ছিল। ফলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।