
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ২ যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের কুয়ালা লিপিস জেলার সুঙ্গাই কোয়ান শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহত যুবকদের স্বজন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত যুবকেরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের শুকুরুদ্দিন কালুর ছেলে তুহিন আলী (২৫) ও একই ইউনিয়নের নসিবন্দি নগর গ্রামের মো. কাবিলের ছেলে মো. শামীম রেজা (২৩)। তারা দুজনই মালয়েশিয়ার একটি পামবাগানে কর্মরত ছিলেন।
নিহত তুহিনের মামা শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার মালয়েশিয়ায় সরকারি ছুটির দিন ছিল। তুহিন-শামীমসহ ৫ জন ওভারটাইমে কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে একটি পিকআপে করে ঘরে ফিরছিলেন তারা। এ সময় পাহাড়ি অঞ্চল সুঙ্গাই কোয়ান এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। তাদের সঙ্গে থাকা ৩ জন লাফ দিতে পারলেও তুহিন আর শামীম সড়ক থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আড়াই বছর আগে আমার ভাগনে মালয়েশিয়ায় যায়। সেখানে একটি পামবাগানে কাজ করত। মালয়েশিয়া থেকে তাদের মরদেহ দ্রুত আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।’
গোমস্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আমার এলাকার ২ জন মারা গেছে। এতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’
এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুজন প্রবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনাটি আমি শুনেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখেছি। এটা খুব দুঃখজনক। মরদেহ ফেরত আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের যা সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা তা দিতে প্রস্তুত আছি। এখন পর্যন্ত তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী ২ যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যের কুয়ালা লিপিস জেলার সুঙ্গাই কোয়ান শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নিহত যুবকদের স্বজন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন।
খবর আজকের পত্রিকার।
নিহত যুবকেরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের শুকুরুদ্দিন কালুর ছেলে তুহিন আলী (২৫) ও একই ইউনিয়নের নসিবন্দি নগর গ্রামের মো. কাবিলের ছেলে মো. শামীম রেজা (২৩)। তারা দুজনই মালয়েশিয়ার একটি পামবাগানে কর্মরত ছিলেন।
নিহত তুহিনের মামা শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার মালয়েশিয়ায় সরকারি ছুটির দিন ছিল। তুহিন-শামীমসহ ৫ জন ওভারটাইমে কাজে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে একটি পিকআপে করে ঘরে ফিরছিলেন তারা। এ সময় পাহাড়ি অঞ্চল সুঙ্গাই কোয়ান এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়। তাদের সঙ্গে থাকা ৩ জন লাফ দিতে পারলেও তুহিন আর শামীম সড়ক থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আড়াই বছর আগে আমার ভাগনে মালয়েশিয়ায় যায়। সেখানে একটি পামবাগানে কাজ করত। মালয়েশিয়া থেকে তাদের মরদেহ দ্রুত আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।’
গোমস্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জামাল উদ্দীন বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আমার এলাকার ২ জন মারা গেছে। এতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’
এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুজন প্রবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনাটি আমি শুনেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখেছি। এটা খুব দুঃখজনক। মরদেহ ফেরত আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের যা সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা তা দিতে প্রস্তুত আছি। এখন পর্যন্ত তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।’
সূত্র: আজকের পত্রিকা
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।