
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের পর চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষত সৌদি আরবে ফিরছেন বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীরা। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলেও সৌদি আরবের দাম্মাম ছাড়া অন্য গন্তব্যে বিমান চলাচল চালু রয়েছে। সেখানে ছুটিতে আসা প্রবাসীসহ নতুন কর্মীদের যাওয়া অব্যাহত আছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাণের ঝুঁকি আর যুদ্ধের আতঙ্ক থাকলেও, পেটের দায়ে তাদের এই ফেরা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
সম্প্রতি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গেছে দীর্ঘ বিরতির পর ফ্লাইট চলাচল শুরু হওয়ায় সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছেন প্রবাসীরা। পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন কেউ কেউ, আবার কেউবা ছোট সন্তানকে কোলে নিয়ে শেষ মুহূর্তের সময়টুকু কাটাচ্ছেন।
সৌদি আরবগামী ২৮ বছর বয়সী পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোহাম্মদ সাকিব জানান, মাত্র কিছুদিন আগে দেশে এসে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের আনন্দ কাটতে না কাটতেই যুদ্ধের খবর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মোহাম্মদ সাকিব বলেন, “ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। পেছনে নতুন স্ত্রী আর পরিবারকে রেখে যাচ্ছি, মনে অনেক কষ্ট হচ্ছে। জানি না কপালে কী লেখা আছে, কিন্তু কাজের জন্য তো ফিরতেই হবে।”
বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত আছেন। যার অধিকাংশেই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। এর মধ্যে শুধু সৌদি আরবেই কাজ করেন মোট শ্রমশক্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার শ্রমিক।
মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করা অনেক বাংলাদেশি সাধারণ দিনের মতোই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে সবার মনেই শঙ্কা কাজ করছে। সাকিবের ভাই মনিরুল ইসলাম বিমানবন্দরে ভাইকে বিদায় দিতে এসে বলেন, “পরিবারের সচ্ছলতার জন্য ওরা জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এই প্রবাসীদের নিরাপত্তার দিকটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।”
রহমান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ আরিফুল ইসলাম জানান, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রায় ৪০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৩০০ জনের মতো যাত্রী ধারণক্ষমতা ছিল।

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের পর চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষত সৌদি আরবে ফিরছেন বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীরা। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলেও সৌদি আরবের দাম্মাম ছাড়া অন্য গন্তব্যে বিমান চলাচল চালু রয়েছে। সেখানে ছুটিতে আসা প্রবাসীসহ নতুন কর্মীদের যাওয়া অব্যাহত আছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাণের ঝুঁকি আর যুদ্ধের আতঙ্ক থাকলেও, পেটের দায়ে তাদের এই ফেরা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
সম্প্রতি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গেছে দীর্ঘ বিরতির পর ফ্লাইট চলাচল শুরু হওয়ায় সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছেন প্রবাসীরা। পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন কেউ কেউ, আবার কেউবা ছোট সন্তানকে কোলে নিয়ে শেষ মুহূর্তের সময়টুকু কাটাচ্ছেন।
সৌদি আরবগামী ২৮ বছর বয়সী পরিচ্ছন্নতা কর্মী মোহাম্মদ সাকিব জানান, মাত্র কিছুদিন আগে দেশে এসে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের আনন্দ কাটতে না কাটতেই যুদ্ধের খবর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে মোহাম্মদ সাকিব বলেন, “ভয় পাওয়াটাই স্বাভাবিক। পেছনে নতুন স্ত্রী আর পরিবারকে রেখে যাচ্ছি, মনে অনেক কষ্ট হচ্ছে। জানি না কপালে কী লেখা আছে, কিন্তু কাজের জন্য তো ফিরতেই হবে।”
বর্তমানে প্রায় ৭০ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে কর্মরত আছেন। যার অধিকাংশেই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। এর মধ্যে শুধু সৌদি আরবেই কাজ করেন মোট শ্রমশক্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার শ্রমিক।
মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করা অনেক বাংলাদেশি সাধারণ দিনের মতোই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে সবার মনেই শঙ্কা কাজ করছে। সাকিবের ভাই মনিরুল ইসলাম বিমানবন্দরে ভাইকে বিদায় দিতে এসে বলেন, “পরিবারের সচ্ছলতার জন্য ওরা জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এই প্রবাসীদের নিরাপত্তার দিকটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।”
রহমান ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ আরিফুল ইসলাম জানান, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রায় ৪০০ এর বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। প্রতিটি ফ্লাইটে গড়ে ৩০০ জনের মতো যাত্রী ধারণক্ষমতা ছিল।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।