
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে দেলোয়ার হোসেন প্রধান (৪০) নামের এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দেলোয়ারের পরিবার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে।
দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়াদি গ্রামের মৃত লাল মিয়া প্রধানের ছেলে। পাঁচ ভাই–বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট ছিলেন। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। সেখানে চারটি দোকান চালাতেন।
বুধবার বিকেলে দেলোয়ারের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তার মা মমতাজ বেগম বসতঘরে বসে বিলাপ করছেন। ঘরের বাইরে বসে বিলাপ করছেন ফুফু সুফিয়া বেগম ও বড় বোন আয়েশা বেগম। তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রতিবেশীরা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আয়েশা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে (দক্ষিণ আফ্রিকার সময় রাত ১০টা) দোকান বন্ধ করার কিছুক্ষণ আগে দেলোয়ারের সঙ্গে তার স্ত্রী শাবানা আক্তারের সবশেষ কথা হয়। তিনি স্বামীর খোঁজখবর নেন। তখন দেলোয়ার তার স্ত্রীকে জানান, দোকান বন্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, রুটি কিনতে এক লোক এসেছেন, তাকে রুটি দিতে আবার দোকান খুলতে হবে। তিনি বলেন, এরপর ফোন রেখে দেলোয়ার দোকান খুলে ওই ক্রেতাকে রুটি এনে দেন। তখন ওই ক্রেতা রুটি হাতে নিয়েই দেলোয়ারকে গুলি করেন। হত্যার পর দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে দেলোয়ারের বড় ভাই আফ্রিকাপ্রবাসী মিজানুর রহমান বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফুটেজে হত্যার দৃশ্য দেখতে পান। পরে বিষয়টি বাংলাদেশে ফোন করে জানান।
দেলোয়ারের চাচাতো ভাই আল আমিন প্রধান একসময় দক্ষিণ আফ্রিকায় দেলোয়ারের সঙ্গে থাকতেন। আল আমিন প্রধান বলেন, তার চাচাতো ভাই দেলোয়ার বিএ পাস করার পর ১২ বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। স্বপ্ন ছিল একমাত্র ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করবেন, বাড়িতে ভবন বানাবেন। কিন্তু দেলোয়ার মারা যাওয়ায় তাদের মাথার ওপর থেকে বটগাছ সরে গেল। সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল।
আল আমিন আরও বলেন, বাংলাদেশ সময় আজ (বুধবার) বেলা ২টার মধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে দেলোয়ার হোসেনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। লাশ বাংলাদেশে আসতে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে দেলোয়ার হোসেন প্রধান (৪০) নামের এক বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দেলোয়ারের পরিবার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে।
দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাউয়াদি গ্রামের মৃত লাল মিয়া প্রধানের ছেলে। পাঁচ ভাই–বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট ছিলেন। প্রায় ১২ বছর আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। সেখানে চারটি দোকান চালাতেন।
বুধবার বিকেলে দেলোয়ারের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, তার মা মমতাজ বেগম বসতঘরে বসে বিলাপ করছেন। ঘরের বাইরে বসে বিলাপ করছেন ফুফু সুফিয়া বেগম ও বড় বোন আয়েশা বেগম। তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রতিবেশীরা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আয়েশা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে (দক্ষিণ আফ্রিকার সময় রাত ১০টা) দোকান বন্ধ করার কিছুক্ষণ আগে দেলোয়ারের সঙ্গে তার স্ত্রী শাবানা আক্তারের সবশেষ কথা হয়। তিনি স্বামীর খোঁজখবর নেন। তখন দেলোয়ার তার স্ত্রীকে জানান, দোকান বন্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, রুটি কিনতে এক লোক এসেছেন, তাকে রুটি দিতে আবার দোকান খুলতে হবে। তিনি বলেন, এরপর ফোন রেখে দেলোয়ার দোকান খুলে ওই ক্রেতাকে রুটি এনে দেন। তখন ওই ক্রেতা রুটি হাতে নিয়েই দেলোয়ারকে গুলি করেন। হত্যার পর দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে দেলোয়ারের বড় ভাই আফ্রিকাপ্রবাসী মিজানুর রহমান বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফুটেজে হত্যার দৃশ্য দেখতে পান। পরে বিষয়টি বাংলাদেশে ফোন করে জানান।
দেলোয়ারের চাচাতো ভাই আল আমিন প্রধান একসময় দক্ষিণ আফ্রিকায় দেলোয়ারের সঙ্গে থাকতেন। আল আমিন প্রধান বলেন, তার চাচাতো ভাই দেলোয়ার বিএ পাস করার পর ১২ বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। স্বপ্ন ছিল একমাত্র ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করবেন, বাড়িতে ভবন বানাবেন। কিন্তু দেলোয়ার মারা যাওয়ায় তাদের মাথার ওপর থেকে বটগাছ সরে গেল। সব স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল।
আল আমিন আরও বলেন, বাংলাদেশ সময় আজ (বুধবার) বেলা ২টার মধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে দেলোয়ার হোসেনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। লাশ বাংলাদেশে আসতে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।