
বিডিজেন ডেস্ক

ভোলার সদর উপজেলায় ঘরে ঢুকে ছেলের সামনে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৮ বছর বয়সী ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে সে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মো. জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ (শনিবার) সকালে নিহত নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরদার বাড়ির দক্ষিণ পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম। গতকাল (শুক্রবার) রাতে খাওয়া শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর নাসিমা ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। পরে নাসিমার ছেলে আবিরের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে খবর দেন।
আবিরের দাবি, রাতের আঁধারে জিহাদ নামের এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। জিহাদ আবিরকেও আঘাত করে। এসময় আবির মারা যাওয়ার ভান করলে জিহাদ চলে যায়। এরপর আবির ঘরের বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
নিহত নাসিমার চাচাশ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। এরপর ছেলেটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. জিহাদকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।

ভোলার সদর উপজেলায় ঘরে ঢুকে ছেলের সামনে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৮ বছর বয়সী ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে সে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মো. জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ (শনিবার) সকালে নিহত নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরদার বাড়ির দক্ষিণ পাশে বসবাস করতেন দুবাইপ্রবাসী আল-আমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম। গতকাল (শুক্রবার) রাতে খাওয়া শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর নাসিমা ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। পরে নাসিমার ছেলে আবিরের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে খবর দেন।
আবিরের দাবি, রাতের আঁধারে জিহাদ নামের এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। জিহাদ আবিরকেও আঘাত করে। এসময় আবির মারা যাওয়ার ভান করলে জিহাদ চলে যায়। এরপর আবির ঘরের বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
নিহত নাসিমার চাচাশ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। এরপর ছেলেটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. জিহাদকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।