
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে দেশটির ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ)। সেই সঙ্গে এই দুই শিক্ষার্থীর স্মরণে গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে নিরবতা পালন করা হবে।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে। কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থেকে বৃষ্টি ও লিমনের পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করার জন্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন হবে। সেখানেই লিমন ও বৃষ্টিকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হবে। বৃষ্টি ও লিমনের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। ৩৫৩ জনকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে বৃষ্টি ও লিমনের সম্মানে রেগালিয়াসহ (গাউন, ক্যাপ ও হুড) দুটি খালি চেয়ার রাখা হবে।
লিমন ও বৃষ্টি উভয়েই ২৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন। লিমনকে সর্বশেষ দেখা যায় তার বাসার বাইরে, যেখানে তিনি অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) এবং আরেক রুমমেটের সঙ্গে থাকতেন।
তদন্তকারীরা মোবাইল ফোনের অবস্থান ও লাইসেন্স প্লেট শনাক্তকারী প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তির গাড়ি এবং লিমনের ফোনের গতিপথ অনুসরণ করে ২৪ এপ্রিল একটি সেতুর কাছে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেন। প্রসিকিউটরদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ২৬ এপ্রিল কাছাকাছি একটি জলপথ থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এখন বৃষ্টির বলে নিশ্চিত হয়েছে।
ঘটনার কয়েক দিন পর অভিযুক্তকে তার মা-বাবার বাড়ি থেকে একটি সোয়াট টিম গ্রেপ্তার করে। আদালত তাকে জামিন ছাড়াই আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। টাম্পায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত শুনানিতে হিলসবরো কাউন্টির বিচারক লোগান মারফি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী বা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ প্রথম ডিগ্রির দুটি হত্যার অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, যদিও প্রসিকিউটরেরা এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। তারা আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করবেন।
আরও পড়ুন

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে দেশটির ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ)। সেই সঙ্গে এই দুই শিক্ষার্থীর স্মরণে গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে নিরবতা পালন করা হবে।
ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে। কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থেকে বৃষ্টি ও লিমনের পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করার জন্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন হবে। সেখানেই লিমন ও বৃষ্টিকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হবে। বৃষ্টি ও লিমনের স্মরণে অনুষ্ঠানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। ৩৫৩ জনকে ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে বৃষ্টি ও লিমনের সম্মানে রেগালিয়াসহ (গাউন, ক্যাপ ও হুড) দুটি খালি চেয়ার রাখা হবে।
লিমন ও বৃষ্টি উভয়েই ২৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন। লিমনকে সর্বশেষ দেখা যায় তার বাসার বাইরে, যেখানে তিনি অভিযুক্ত হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) এবং আরেক রুমমেটের সঙ্গে থাকতেন।
তদন্তকারীরা মোবাইল ফোনের অবস্থান ও লাইসেন্স প্লেট শনাক্তকারী প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তির গাড়ি এবং লিমনের ফোনের গতিপথ অনুসরণ করে ২৪ এপ্রিল একটি সেতুর কাছে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেন। প্রসিকিউটরদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ২৬ এপ্রিল কাছাকাছি একটি জলপথ থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এখন বৃষ্টির বলে নিশ্চিত হয়েছে।
ঘটনার কয়েক দিন পর অভিযুক্তকে তার মা-বাবার বাড়ি থেকে একটি সোয়াট টিম গ্রেপ্তার করে। আদালত তাকে জামিন ছাড়াই আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। টাম্পায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত শুনানিতে হিলসবরো কাউন্টির বিচারক লোগান মারফি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী বা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ প্রথম ডিগ্রির দুটি হত্যার অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, যদিও প্রসিকিউটরেরা এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। তারা আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করবেন।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”