

বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটের জকিগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে কাজী কমর উদ্দিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের আটগ্রাম স্টেশনের পূর্ব পাশে কাশেম কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় সিএনজিচালক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক তার নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
নিহত কাজী কমর উদ্দিন (কমই মিয়া) উপজেলার ৮ নম্বর কসকনকপুর ইউনিয়নের বিয়াবাইল গ্রামের (নালুহারা) ফুলেরদিঘীর মৃত ময়না মিয়ার ছেলে।
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন,‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে পুলিশী হেফাজতে নিয়েছে। এ ছাড়াও, গাড়ি দুটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

সিলেটের জকিগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে কাজী কমর উদ্দিন (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে জকিগঞ্জ-সিলেট সড়কের আটগ্রাম স্টেশনের পূর্ব পাশে কাশেম কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় সিএনজিচালক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক তার নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
নিহত কাজী কমর উদ্দিন (কমই মিয়া) উপজেলার ৮ নম্বর কসকনকপুর ইউনিয়নের বিয়াবাইল গ্রামের (নালুহারা) ফুলেরদিঘীর মৃত ময়না মিয়ার ছেলে।
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন,‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে পুলিশী হেফাজতে নিয়েছে। এ ছাড়াও, গাড়ি দুটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।