
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বি১/বি২ বা ভিজিটর ভিসার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, একজন ভ্রমণকারী হিসেবে ভিসার সঠিক ব্যবহারের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে ওই ব্যক্তির ওপর বর্তায়। বিশেষ করে ভিজিটর ভিসায় গিয়ে কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না—সে বিষয়ে আগেভাগেই স্বচ্ছ ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভিসার নিয়ম ভঙ্গ করলে বা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে (ওভার-স্টে) আইনি ব্যবস্থা হিসেবে স্থায়ীভাবে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করার কঠোর বার্তা দিয়েছে আমেরিকান কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (travel.state.gov/visas) দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বি১/বি২ বা ভিজিটর ভিসার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, একজন ভ্রমণকারী হিসেবে ভিসার সঠিক ব্যবহারের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে ওই ব্যক্তির ওপর বর্তায়। বিশেষ করে ভিজিটর ভিসায় গিয়ে কী করা যাবে এবং কী করা যাবে না—সে বিষয়ে আগেভাগেই স্বচ্ছ ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভিসার নিয়ম ভঙ্গ করলে বা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে (ওভার-স্টে) আইনি ব্যবস্থা হিসেবে স্থায়ীভাবে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করার কঠোর বার্তা দিয়েছে আমেরিকান কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (travel.state.gov/visas) দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”