

বিডিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
গতকাল স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ মার্চ) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর ৩৬তম বিশেষ অধিবেশনে এ উদ্বেগ তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।
আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (আনক্লজ) অনুযায়ী সব ধরনের নৌযানের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলের পক্ষে বাংলাদেশ নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্য সচল রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
গতকাল স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ মার্চ) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর ৩৬তম বিশেষ অধিবেশনে এ উদ্বেগ তুলে ধরা হয়।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এ তথ্য জানিয়েছে।
অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যুদ্ধপ্রবণ এলাকায় চলাচলকারী জাহাজে কর্মরত বাংলাদেশি নাবিকসহ বিশ্বব্যাপী সমুদ্রকর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।
আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (আনক্লজ) অনুযায়ী সব ধরনের নৌযানের অবাধ ও নিরাপদ চলাচলের পক্ষে বাংলাদেশ নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্য সচল রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।