
বিডিজেন ডেস্ক

ইতালি সরকার বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের দেওয়া সব ধরনের 'নুলা ওস্তা'র (কাজের অনুমোদন) বৈধতা যথাযথ যাচাইকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকার ইতালি দূতাবাস জানিয়েছে, অনেক বেশি পরিমাণে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র জমা হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের ১১ অক্টোবর জারি করা নতুন আইন অনুসারে,ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন অফিস (‘স্পোর্টেলো ইউনিকো’- এসইউআই) থেকে স্থগিত নুলা ওস্তার যাচাইকরণ সম্পন্ন হওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়ার পরেই কাজের ভিসা দেবে দূতাবাস।
ওপরে উল্লিখিত যাচাইয়ের জন্য মূলতবি থাকা আবেদনকারীদের পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে বলে ভিসার জন্য আবেদনকারী এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রার্থীদের জানিয়েছে ইতালি দূতাবাস।
রোববার (২০ অক্টোবর) থেকে পর্যায়ক্রমে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।
দূতাবাস, প্রত্যেক আবেদনকারীকে ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে একটি এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে যে তিনি কখন পাসপোর্ট ফেরত নিতে পারবেন।
দূতাবাস নুলা ওস্তার নিশ্চয়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদেরকে পাসপোর্টটি ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে জমা দিয়ে ভিসা নিতে তাদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করবে।
কাজের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রার্থী যাদের নুলা ওস্তা নিশ্চিতকরণ পেয়েছে তাদের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে।
অতএব, অ্যাপয়নমেন্টগুলো (ইতিমধ্যে নির্ধারিতসহ) আর প্রয়োজন নেই এবং বর্তমানে আর দেওয়া হবে না।
ই-মেইল [email protected] সক্রিয় রয়েছে।
নতুন ইস্যু করা কাজ নুলা ওস্তাপ্রাপ্তদের যোগাযোগের জন্য ওপরে উল্লিখিত মেইল করার অনুরোধ করা হয়েছে।
আবেদনকারী, নিয়োগকর্তা এবং আইনজীবীদের তাদের কাজের যাচাইকরণ সম্পর্কিত দূতাবাস বা ভিএফএস গ্লোবালকে ই-মেইল পাঠানো এড়াতে বলা হয়, কারণ আপেক্ষিক প্রক্রিয়াটি ইতালিতে তৈরি করা হয়।
নুলা ওস্তাধারীরা তাদের নুলা ওস্তার যাচাইকরণ স্থিতির হালনাগাদের জন্য ইতালিতে তাদের সম্ভাব্য নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইতে পারেন।
ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন অফিস ‘স্পোর্টেলো ইউনিকো’ - এসইউআই কর্তৃক নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাজের ভিসা (নুলা ওস্তার) মেয়াদ শেষ হবে না।
অন্য ধরনের ভিসা (যেমন পরিবার, পড়াশোনা, ব্যবসা এবং পর্যটন) প্রক্রিয়াকরণ অপরিবর্তিত রয়েছে।

ইতালি সরকার বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের দেওয়া সব ধরনের 'নুলা ওস্তা'র (কাজের অনুমোদন) বৈধতা যথাযথ যাচাইকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকার ইতালি দূতাবাস জানিয়েছে, অনেক বেশি পরিমাণে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র জমা হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের ১১ অক্টোবর জারি করা নতুন আইন অনুসারে,ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন অফিস (‘স্পোর্টেলো ইউনিকো’- এসইউআই) থেকে স্থগিত নুলা ওস্তার যাচাইকরণ সম্পন্ন হওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়ার পরেই কাজের ভিসা দেবে দূতাবাস।
ওপরে উল্লিখিত যাচাইয়ের জন্য মূলতবি থাকা আবেদনকারীদের পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে বলে ভিসার জন্য আবেদনকারী এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রার্থীদের জানিয়েছে ইতালি দূতাবাস।
রোববার (২০ অক্টোবর) থেকে পর্যায়ক্রমে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।
দূতাবাস, প্রত্যেক আবেদনকারীকে ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে একটি এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে যে তিনি কখন পাসপোর্ট ফেরত নিতে পারবেন।
দূতাবাস নুলা ওস্তার নিশ্চয়তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদেরকে পাসপোর্টটি ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে জমা দিয়ে ভিসা নিতে তাদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করবে।
কাজের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রার্থী যাদের নুলা ওস্তা নিশ্চিতকরণ পেয়েছে তাদের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ভিএফএস গ্লোবালের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে।
অতএব, অ্যাপয়নমেন্টগুলো (ইতিমধ্যে নির্ধারিতসহ) আর প্রয়োজন নেই এবং বর্তমানে আর দেওয়া হবে না।
ই-মেইল [email protected] সক্রিয় রয়েছে।
নতুন ইস্যু করা কাজ নুলা ওস্তাপ্রাপ্তদের যোগাযোগের জন্য ওপরে উল্লিখিত মেইল করার অনুরোধ করা হয়েছে।
আবেদনকারী, নিয়োগকর্তা এবং আইনজীবীদের তাদের কাজের যাচাইকরণ সম্পর্কিত দূতাবাস বা ভিএফএস গ্লোবালকে ই-মেইল পাঠানো এড়াতে বলা হয়, কারণ আপেক্ষিক প্রক্রিয়াটি ইতালিতে তৈরি করা হয়।
নুলা ওস্তাধারীরা তাদের নুলা ওস্তার যাচাইকরণ স্থিতির হালনাগাদের জন্য ইতালিতে তাদের সম্ভাব্য নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইতে পারেন।
ইতালির প্রাদেশিক অভিবাসন অফিস ‘স্পোর্টেলো ইউনিকো’ - এসইউআই কর্তৃক নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাজের ভিসা (নুলা ওস্তার) মেয়াদ শেষ হবে না।
অন্য ধরনের ভিসা (যেমন পরিবার, পড়াশোনা, ব্যবসা এবং পর্যটন) প্রক্রিয়াকরণ অপরিবর্তিত রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।