
বিডিজেন ডেস্ক

সিলেটের জকিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন, টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সুন্দরার চক গ্রামে স্থানীয় বাবুর বাজারের ফোন, ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ ব্যবসায়ী মুনিম আহমদের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন মুনিম। তাঁর অপর দুই ভাই মিজান ও দেলোয়ার ফ্রান্সপ্রবাসী। আজ ভোরে ৫ থেকে ৬ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সদস্যের হাত-পা বেঁধে ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কী পরিমাণ মালামাল লুট করা হয়েছে তার তালিকা তৈরি ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সিলেটের জকিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন, টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সুন্দরার চক গ্রামে স্থানীয় বাবুর বাজারের ফোন, ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ ব্যবসায়ী মুনিম আহমদের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মা ও স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন মুনিম। তাঁর অপর দুই ভাই মিজান ও দেলোয়ার ফ্রান্সপ্রবাসী। আজ ভোরে ৫ থেকে ৬ জন মুখোশধারী ডাকাত ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। ডাকাতদল পরিবারের সদস্যের হাত-পা বেঁধে ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কী পরিমাণ মালামাল লুট করা হয়েছে তার তালিকা তৈরি ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”