
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিয়ে করেছেন গায়ক ও সংগীত পরিচালক আরাফাত মহসিন ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাবা খান। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকার তেজগাঁওয়ের একটি রেস্তোরাঁয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন তাঁরা।

৪ বছর ধরে প্রেম করেছেন তাঁরা। আরাফাত মহসিন গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সবার কাছে দোয়া চাইছি।’

ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত বরবাদ সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করেছেন আরাফাত মহসিন। ২০২২ সালে প্রকাশিত ‘প্রেমিকা’ গানে পাওয়া গেছে আরাফাত ও রাবাকে। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর বেঁধেছেন দুজনেই।

২০২০ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের অনূর্ধ্ব-৩০ ক্যাটাগরিতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ৩০ তরুণ উদ্যোক্তার তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন রাবা খান। নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য ঝাকানাকা প্রজেক্ট’–এ সমাজের নানা বিষয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও বানিয়ে তরুণদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন রাবা।

বিয়ে করেছেন গায়ক ও সংগীত পরিচালক আরাফাত মহসিন ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাবা খান। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকার তেজগাঁওয়ের একটি রেস্তোরাঁয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন তাঁরা।

৪ বছর ধরে প্রেম করেছেন তাঁরা। আরাফাত মহসিন গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘সবার কাছে দোয়া চাইছি।’

ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত বরবাদ সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করেছেন আরাফাত মহসিন। ২০২২ সালে প্রকাশিত ‘প্রেমিকা’ গানে পাওয়া গেছে আরাফাত ও রাবাকে। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর বেঁধেছেন দুজনেই।

২০২০ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের অনূর্ধ্ব-৩০ ক্যাটাগরিতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ৩০ তরুণ উদ্যোক্তার তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন রাবা খান। নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য ঝাকানাকা প্রজেক্ট’–এ সমাজের নানা বিষয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও বানিয়ে তরুণদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন রাবা।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”