
বিডিজেন ডেস্ক

টেকসই ও ঘাত-সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) এক জ্ঞান-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বহুফলনশীল ধান চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এই সভা আয়োজন করা হয়।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘টেকনোলজি–বেজড ইনকাম জেনারেশন ফর ফারমারস’ শীর্ষক এ সভায় মূল উপস্থাপনা প্রদান করেন প্রখ্যাত জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী।
সভা সঞ্চালনা করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সহযোগী সংস্থা FIVDB-এর সভাপতি ড. মনজুর আহমেদ ও কৃষি বিজ্ঞানী ড. শেখ তানভীর হোসেন।

বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিকেএসএফ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি প্রযুক্তি ও বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষিতে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের কৃষি খাতে অর্থায়নের ৫০ ভাগের বেশি পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাসমূহ সরবরাহ করে।
সম্প্রতি গৃহীত ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’-এর আলোকে পিকেএসএফ রপ্তানিমুখী মূল্য সংযোজন ও বহুমুখী কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, টেকসই প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল উন্নয়ন, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও ঝুঁকি-সহনশীল উৎপাদন ব্যবস্থা, কৃষকদের জন্য বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সম্পদ-সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তি ও চর্চার সম্প্রসারণ, কৃষি প্রতিবেশ সুরক্ষায় জৈব কৃষি সম্প্রসারণ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ মনোনিবেশ সহকারে বিস্তৃত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সভায় পিকেএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টেকসই ও ঘাত-সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) এক জ্ঞান-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বহুফলনশীল ধান চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এই সভা আয়োজন করা হয়।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘টেকনোলজি–বেজড ইনকাম জেনারেশন ফর ফারমারস’ শীর্ষক এ সভায় মূল উপস্থাপনা প্রদান করেন প্রখ্যাত জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী।
সভা সঞ্চালনা করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সহযোগী সংস্থা FIVDB-এর সভাপতি ড. মনজুর আহমেদ ও কৃষি বিজ্ঞানী ড. শেখ তানভীর হোসেন।

বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে টেকসইভাবে জমির উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, উচ্চফলনশীল ও ঘাত-সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পিকেএসএফ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি প্রযুক্তি ও বিভিন্ন উদ্ভাবনী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষিতে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের কৃষি খাতে অর্থায়নের ৫০ ভাগের বেশি পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাসমূহ সরবরাহ করে।
সম্প্রতি গৃহীত ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’-এর আলোকে পিকেএসএফ রপ্তানিমুখী মূল্য সংযোজন ও বহুমুখী কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, টেকসই প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল উন্নয়ন, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও ঝুঁকি-সহনশীল উৎপাদন ব্যবস্থা, কৃষকদের জন্য বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সম্পদ-সাশ্রয়ী কৃষি প্রযুক্তি ও চর্চার সম্প্রসারণ, কৃষি প্রতিবেশ সুরক্ষায় জৈব কৃষি সম্প্রসারণ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ মনোনিবেশ সহকারে বিস্তৃত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সভায় পিকেএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”