
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৫) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের উপকূলীয় বেড়িবাঁধের প্যারাবনে এ ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাঁশখালী থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে গাড়ি নষ্ট হয়েছে বলে বদরখালী সেতুর ওপর অটোরিকশা চালক তাকে নামিয়ে দেন। এরপর কিশোরী পায়ে হেঁটে সেতু পার হচ্ছিল। এ সময় সেতুর পূর্ব অংশে ২ জন যুবক তার গতি রোধ কর। পরে আরেকজন যুবক এসে ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে তার মুখ চেপে ধরে বেড়িবাঁধের প্যারাবনের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে ৪ থেকে ৮ জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। জ্ঞান ফিরলে সে হামাগুড়ি দিয়ে পাশের সড়কে উঠে চিৎকার দিয়ে লোক জড়ো করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল ওই কিশোরী। তার অবস্থা এখনো স্থিতিশীল নয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিশোরীকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। কিছু আলামত পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
সূত্র: প্রথম আলো

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৫) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের উপকূলীয় বেড়িবাঁধের প্যারাবনে এ ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাঁশখালী থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে গাড়ি নষ্ট হয়েছে বলে বদরখালী সেতুর ওপর অটোরিকশা চালক তাকে নামিয়ে দেন। এরপর কিশোরী পায়ে হেঁটে সেতু পার হচ্ছিল। এ সময় সেতুর পূর্ব অংশে ২ জন যুবক তার গতি রোধ কর। পরে আরেকজন যুবক এসে ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে তার মুখ চেপে ধরে বেড়িবাঁধের প্যারাবনের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে ৪ থেকে ৮ জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। জ্ঞান ফিরলে সে হামাগুড়ি দিয়ে পাশের সড়কে উঠে চিৎকার দিয়ে লোক জড়ো করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল ওই কিশোরী। তার অবস্থা এখনো স্থিতিশীল নয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে নিয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিশোরীকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে। কিছু আলামত পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।