
বিডিজেন ডেস্ক

কাতারে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড কাতারের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নীতিমালারও পরিপন্থী।’
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বেআইনি ও উস্কানিমূলক হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কাতারের সরকার ও জনগণের সাথে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে জাতিসংঘ ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
‘এই ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতির প্রতি ইসরায়েলের অব্যাহত অবজ্ঞার আরেকটি ইঙ্গিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আরও পড়ুন

কাতারে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ড কাতারের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নীতিমালারও পরিপন্থী।’
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বেআইনি ও উস্কানিমূলক হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ কাতারের সরকার ও জনগণের সাথে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে জাতিসংঘ ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য এবং আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
‘এই ঘটনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক শান্তি ও প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রীতিনীতির প্রতি ইসরায়েলের অব্যাহত অবজ্ঞার আরেকটি ইঙ্গিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”