
বিডিজেন ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের ‘স্পেশাল ঈদ রেমিট্যান্স ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এই ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়।
এই ক্যাম্পেইন চলাকালে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের ডিজিটাল ড্রর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে ৩টি করে মোট ১২টি ফ্রিজার উপহার দেওয়া হবে। এ ছাড়া, শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট আউটলেট থেকে ৫০ হাজার রেমিট্যান্স সুবিধাভোগীকে ব্যাকপ্যাক দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুক খান প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন। ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ওভারসিস ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ ও মো. মাকসুদুর রহমান।
ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।
মো. ওমর ফারুক খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বেড়েছে এবং ইসলামী ব্যাংক তার আগের অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে।
ওমর ফারুক আরও বলেন, দেশের আহরিত রেমিট্যান্সের এক-চতুর্থাংশ আসে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ সফলতায় ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নও অংশীদার। ২০১২ সাল থেকে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে রেমিট্যান্স সংগ্রহে কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ বছর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহের লক্ষ্য রেখে সব শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট আউটলেটকে সর্বোত্তম সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের ‘স্পেশাল ঈদ রেমিট্যান্স ক্যাম্পেইন’ শীর্ষক মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এই ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়।
এই ক্যাম্পেইন চলাকালে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের ডিজিটাল ড্রর মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে ৩টি করে মোট ১২টি ফ্রিজার উপহার দেওয়া হবে। এ ছাড়া, শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট আউটলেট থেকে ৫০ হাজার রেমিট্যান্স সুবিধাভোগীকে ব্যাকপ্যাক দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুক খান প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন। ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ওভারসিস ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ ও মো. মাকসুদুর রহমান।
ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।
মো. ওমর ফারুক খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বেড়েছে এবং ইসলামী ব্যাংক তার আগের অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে।
ওমর ফারুক আরও বলেন, দেশের আহরিত রেমিট্যান্সের এক-চতুর্থাংশ আসে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ সফলতায় ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নও অংশীদার। ২০১২ সাল থেকে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে রেমিট্যান্স সংগ্রহে কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ বছর ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহের লক্ষ্য রেখে সব শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট আউটলেটকে সর্বোত্তম সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।