
বিডিজেন ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি—দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্র পথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া, তিনি তথ্যমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
তথ্যমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
এ সময় তিনি বৈধ পথে আরও বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রহণের জন্য ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন চলমান আছে এবং বিগত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও সম্প্রচার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন।
তিনি ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে, এক্ষেত্রে ‘নলেজ শেয়ারিং’-এর বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইতালিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি—দুই দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্র পথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া, তিনি তথ্যমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
তথ্যমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
এ সময় তিনি বৈধ পথে আরও বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রহণের জন্য ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন চলমান আছে এবং বিগত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্লাটফর্ম ও সম্প্রচার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন।
তিনি ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে, এক্ষেত্রে ‘নলেজ শেয়ারিং’-এর বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।