logo
খবর

হাইকোর্টের ১২ বিচারপতিকে আপাতত কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক১৭ অক্টোবর ২০২৪
Copied!
হাইকোর্টের ১২ বিচারপতিকে আপাতত কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালে বিকেলে বিক্ষোভরতদের তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “আপাতত ১২ বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। এর অর্থ হলো আগামী ২০ অক্টোবর আদালত খুললে তারা বিচারকাজে অংশ নিতে পারবেন না।”

আজিজ আহমদ ভূঞা বিচারপতিদের নাম বলেননি।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিচারকদের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

বুধবার বেলা ১১টা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যানারে শিক্ষার্থীরা ও বৈষম্যবিরোধী আইন সমাজ ব্যানারে একদল আইনজীবী জড়ো হয়ে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করে।

পরে বিকেল ৪টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা বিক্ষোভরতদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনাদের দাবি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। পরে আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। বিচারপতি পদত্যাগ বা অপসারণের একটা প্রক্রিয়া আছে।”

“বর্তমানে এ সংক্রান্ত কোনো আইন নেই। আগের সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেটা বাতিল করে দিয়েছে। সরকার সেটা রিভিউ আকারে পেশ করেছে। রোববার আপিল বিভাগে সেটার শুনানি হবে,” বলেন তিনি।

বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আসলে বিচারপতিদের নিয়োগকর্তা ও পদত্যাগ বা অপসারণের উদ্যোগ রাষ্ট্রপতির দফতর থেকে হয়ে থাকে। এখানে প্রধান বিচারপতির যেটা করণীয়, তিনি সেটা করেছেন। আপাতত ১২ বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। এর অর্থ হলো আগামী ২০ অক্টোবর আদালত খুলবে, তারা বিচারকাজে অংশ নিতে পারবেন না।”

তিনি বলেন, “২০ তারিখের যে শুনানি আছে, অ্যাটর্নি জেনারেল সেটা পেশ করবেন। এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিচারপতি অপসারণের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এককভাবে জড়িত না। রাষ্ট্রপতি, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় জড়িত আছে। আপাতত ১২ জনকে বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে শুনানির মাধ্যমে বাকিগুলো আসতে হবে।”

এদিকে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ চলাকালে খবর ছড়ায় যে, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে চায়ের দাওয়াত দিয়েছেন। পরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয় বিচারপতি আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত একজন একজন করে ছয় বিচারপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেন। তারা হলেন- বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো. আখরুজ্জামান, বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলন।

আরও দেখুন

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ

বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

৪ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর সোমবার থেকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।

১০ দিন আগে

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

১১ দিন আগে

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”

১১ দিন আগে