
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে চলমান পরিস্থিতির কারণে দেশটি থেকে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) আরও ৩০ জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ফেরত আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের ফেরত আনা হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের সম্পূর্ণ সরকারি খরচে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। আজ (মঙ্গলবার) সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত আনা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১৮০ জন বাংলাদেশিকে লেবানন থেকে ফেরত আনা হয়েছে।
বিমানবন্দরে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোস্তফা জামিল খান যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে কথা বলেন ও তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি জানান, এখনো কোনো বাংলাদেশি লেবাননে হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
লেবানন থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে আইওএমের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা পকেটমানি ও কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।
লেবাননে চলমান সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক তাদের সবাইকে সরকার নিজ খরচে দেশে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব প্রবাসী ফিরে আসতে অনিচ্ছুক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তি

লেবাননে চলমান পরিস্থিতির কারণে দেশটি থেকে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) আরও ৩০ জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ফেরত আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের ফেরত আনা হয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত আসতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের সম্পূর্ণ সরকারি খরচে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। আজ (মঙ্গলবার) সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত আনা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১৮০ জন বাংলাদেশিকে লেবানন থেকে ফেরত আনা হয়েছে।
বিমানবন্দরে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোস্তফা জামিল খান যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে কথা বলেন ও তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি জানান, এখনো কোনো বাংলাদেশি লেবাননে হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
লেবানন থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে আইওএমের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা পকেটমানি ও কিছু খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।
লেবাননে চলমান সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় যেসব প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসতে ইচ্ছুক তাদের সবাইকে সরকার নিজ খরচে দেশে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব প্রবাসী ফিরে আসতে অনিচ্ছুক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তি
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।