
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের পর সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ। আগামী ১৩ ও ১৫ মার্চ বাংলাদেশগামী যাত্রীদের জন্য ২টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) কাতারে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, আগ্রহী যাত্রীরা সরাসরি কাতার এয়ারওয়েজের ওয়েবসাইট অথবা ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে এসব ফ্লাইটের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ এই দুই ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা।
বার্তায় দূতাবাস আরও বলেছে, যেহেতু যাত্রীরা সরাসরি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন, তাই ইতিপূর্বে দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেওয়া গুগল ফরম পূরণের আর প্রয়োজন নেই।

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের পর সৃষ্ট যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ। আগামী ১৩ ও ১৫ মার্চ বাংলাদেশগামী যাত্রীদের জন্য ২টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) কাতারে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, আগ্রহী যাত্রীরা সরাসরি কাতার এয়ারওয়েজের ওয়েবসাইট অথবা ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে এসব ফ্লাইটের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশেষ এই দুই ফ্লাইটের নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা।
বার্তায় দূতাবাস আরও বলেছে, যেহেতু যাত্রীরা সরাসরি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন, তাই ইতিপূর্বে দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেওয়া গুগল ফরম পূরণের আর প্রয়োজন নেই।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।