
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার রাতে আবার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত সাড়ে ৯টার পরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, রাতের ভূমিকম্পের প্রথমটি বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে হয়। এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯। দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।
এর আগে মঙ্গলবার ভোর রাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে এই ভূকম্পন ঘটে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘হালকা’ শ্রেণির। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়।
আরও পড়ুন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার রাতে আবার দুই দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রাত সাড়ে ৯টার পরে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, রাতের ভূমিকম্পের প্রথমটি বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে হয়। এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯। দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।
এর আগে মঙ্গলবার ভোর রাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি হালকা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে এই ভূকম্পন ঘটে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘হালকা’ শ্রেণির। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”