
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইংল্যান্ড থেকে সোমবার (২ জুন) সকালে এসে বিকেলেই বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলনে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী। লম্বা বিমানভ্রমণের পর হোটেলে কয়েক ঘণ্টার বিশ্রামই সম্বল। বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সতীর্থদের সঙ্গে যখন অনুশীলনের জন্য প্রবেশ করলেন, তখন ক্লান্তির কোনো ছাপই নেই তাঁর চেহারায়।
গত মার্চে প্রথম যখন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে ঢাকা এসেছিলেন, তখন অনুশীলন করেছিলেন বসুন্ধরার কিংস অ্যারেনায়। কাল ঢাকা স্টেডিয়ামে পা রাখলেন হামজা প্রথমবারের মতো।
হামজার অনুশীলন দেখতে বিকেলে স্টেডিয়ামের এক নম্বর গেটে ছিল ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়। তবে তাদের হতাশই হতে হয়েছে। স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার চাওয়া অনুযায়ী কাল ছিল বাংলাদেশ দলের ‘ক্লোজড ডোর’ অনুশীলন। তাই স্টেডিয়ামে ছিল কড়াকড়ি। সাংবাদিকদেরও অনুমতি ছিল না অনুশীলন দেখার। ঐতিহাসিক ঢাকা স্টেডিয়ামে দেশের খেলাধুলার ইতিহাসে তর্কযোগ্যভাবে সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ক্রীড়াবিদের প্রথম অনুশীলনটা তাই হলো লোকচক্ষুর আড়ালেই।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আগামী ১০ জুন এই ঢাকা স্টেডিয়ামেই এএফসি এশিয়ান কাপে গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে ৪ জুন, একই মাঠে ভুটানের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ।
বাংলাদেশ দলের স্কোয়াডে এবার আছেন আরেক অরিজিন বাংলাদেশি ফুটবলার শমিত সোম। কানাডায় জন্ম নেওয়া শমিত কানাডা জাতীয় দলের হয়ে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। কানাডা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন ক্যাভালরি এফসির হয়ে। তাঁর আগমন এখনো ঘটেনি। ৪ জুন ভোরে তাঁর ঢাকায় আসার কথা। বাংলাদেশের জার্সিতে হামজার সঙ্গে শমিতের জুটি দেখতে এখন মুখিয়ে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।
শুধু হামজা কিংবা শমিতই নন, সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কাবরেরার স্কোয়াডে আছেন ইতালি সিরি ‘ডি’র দল অ্যালবিওর আরেক বাংলাদেশি অরিজিন ফাহমিদুল ইসলাম। ভারতের বিপক্ষে গত মার্চের ম্যাচের স্কোয়াডেই তিনি ছিলেন। তবে ‘অনভিজ্ঞতা’র কথা বলে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছিল চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে। সে নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। তবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাঁর চূড়ান্ত দলে থাকার ব্যাপারটি প্রায় নিশ্চিতই।
সবমিলিয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচটা নিয়ে রীতিমতো উন্মাদনা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। দেশের মাটিতে আয়োজিত কোনো ফুটবল ম্যাচ নিয়ে শেষ কবে এমন উন্মাদনা আর দর্শক আগ্রহ ছিল, অনেকেই মনে করতে পারছেন না। ঢাকা স্টেডিয়ামে এর আগে সিঙ্গাপুরের চেয়েও হাই প্রোফাইল দল খেলেছে। এই মাঠে খেলেছে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দলই। ২০১১ সালে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল তারা। আর্জেন্টিনা দলে মেসির সঙ্গী ছিলেন আনহেল দি মারিয়া, হাভিয়ের মাচেরানো, গঞ্জালো হিগুয়েইনদের মতো তারকারা। নাইজেরিয়া দলে খেলেছিলেন ওবি মিকেল। ঢাকা স্টেডিয়ামে অতীতে পা রেখেছেন আরেক বিশ্বকাপজয়ী জিনেদিন জিদান। যদিও তিনি ঢাকা স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাচ খেলেননি।
ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামা সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল দল অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলেছিল। সেই দলে ছিলেন টিম কাহিলের মতো তারকা। অস্ট্রেলিয়া ২০২৪ সালের জুনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকায় আরেকটি ম্যাচ খেললেও সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বসুন্ধরার কিংস অ্যারেনায়।
অতীতে ঢাকা স্টেডিয়াম ইরানের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ। খেলেছে চীনের বিপক্ষে। ১৯৮৯ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইরান ও চীনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দুটি ঢাকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অন্যতম হাইপ্রোফাইল ম্যাচ। এই মাঠেই দুইবার থাইল্যান্ডকে হারানোর ইতিহাস আছে বাংলাদেশের। প্রথমবার ১৯৮৫ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ১-০ গোলে, দ্বিতীয়বার ১৯৮৯ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৩-১ গোলে। ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল জয় লেবাননের বিপক্ষে, ২০১১ সালে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে, ২-০ গোলে।
নতুন সাজে সজ্জিত ঢাকা স্টেডিয়ামে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচটি যেন বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন দিন শুরুর উপলক্ষ। হামজা-শমিত-ফাহমিদুলদের মতো তারকাদের আবির্ভাব, সেই স্বপ্নকে আরও মজবুত করছে। সঙ্গে জামাল ভূঁইয়া, তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, শেখ মোরছালিন, মিতুল মারমা, কাজেম শাহরা তো আছেনই। কাল ঢাকা স্টেডিয়ামে হামজা চৌধুরীর আবির্ভাব, প্রথমবারের মতো তাঁর অনুশীলনে সেই স্বপ্নের পথে যাত্রাটা কিন্তু শুরু হয়েই গেছে।

ইংল্যান্ড থেকে সোমবার (২ জুন) সকালে এসে বিকেলেই বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলনে যোগ দিলেন হামজা চৌধুরী। লম্বা বিমানভ্রমণের পর হোটেলে কয়েক ঘণ্টার বিশ্রামই সম্বল। বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে সতীর্থদের সঙ্গে যখন অনুশীলনের জন্য প্রবেশ করলেন, তখন ক্লান্তির কোনো ছাপই নেই তাঁর চেহারায়।
গত মার্চে প্রথম যখন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে ঢাকা এসেছিলেন, তখন অনুশীলন করেছিলেন বসুন্ধরার কিংস অ্যারেনায়। কাল ঢাকা স্টেডিয়ামে পা রাখলেন হামজা প্রথমবারের মতো।
হামজার অনুশীলন দেখতে বিকেলে স্টেডিয়ামের এক নম্বর গেটে ছিল ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়। তবে তাদের হতাশই হতে হয়েছে। স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার চাওয়া অনুযায়ী কাল ছিল বাংলাদেশ দলের ‘ক্লোজড ডোর’ অনুশীলন। তাই স্টেডিয়ামে ছিল কড়াকড়ি। সাংবাদিকদেরও অনুমতি ছিল না অনুশীলন দেখার। ঐতিহাসিক ঢাকা স্টেডিয়ামে দেশের খেলাধুলার ইতিহাসে তর্কযোগ্যভাবে সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ক্রীড়াবিদের প্রথম অনুশীলনটা তাই হলো লোকচক্ষুর আড়ালেই।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আগামী ১০ জুন এই ঢাকা স্টেডিয়ামেই এএফসি এশিয়ান কাপে গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে ৪ জুন, একই মাঠে ভুটানের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ।
বাংলাদেশ দলের স্কোয়াডে এবার আছেন আরেক অরিজিন বাংলাদেশি ফুটবলার শমিত সোম। কানাডায় জন্ম নেওয়া শমিত কানাডা জাতীয় দলের হয়ে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। কানাডা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন ক্যাভালরি এফসির হয়ে। তাঁর আগমন এখনো ঘটেনি। ৪ জুন ভোরে তাঁর ঢাকায় আসার কথা। বাংলাদেশের জার্সিতে হামজার সঙ্গে শমিতের জুটি দেখতে এখন মুখিয়ে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।
শুধু হামজা কিংবা শমিতই নন, সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে কাবরেরার স্কোয়াডে আছেন ইতালি সিরি ‘ডি’র দল অ্যালবিওর আরেক বাংলাদেশি অরিজিন ফাহমিদুল ইসলাম। ভারতের বিপক্ষে গত মার্চের ম্যাচের স্কোয়াডেই তিনি ছিলেন। তবে ‘অনভিজ্ঞতা’র কথা বলে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছিল চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে। সে নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। তবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাঁর চূড়ান্ত দলে থাকার ব্যাপারটি প্রায় নিশ্চিতই।
সবমিলিয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচটা নিয়ে রীতিমতো উন্মাদনা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। দেশের মাটিতে আয়োজিত কোনো ফুটবল ম্যাচ নিয়ে শেষ কবে এমন উন্মাদনা আর দর্শক আগ্রহ ছিল, অনেকেই মনে করতে পারছেন না। ঢাকা স্টেডিয়ামে এর আগে সিঙ্গাপুরের চেয়েও হাই প্রোফাইল দল খেলেছে। এই মাঠে খেলেছে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দলই। ২০১১ সালে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল তারা। আর্জেন্টিনা দলে মেসির সঙ্গী ছিলেন আনহেল দি মারিয়া, হাভিয়ের মাচেরানো, গঞ্জালো হিগুয়েইনদের মতো তারকারা। নাইজেরিয়া দলে খেলেছিলেন ওবি মিকেল। ঢাকা স্টেডিয়ামে অতীতে পা রেখেছেন আরেক বিশ্বকাপজয়ী জিনেদিন জিদান। যদিও তিনি ঢাকা স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাচ খেলেননি।
ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামা সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল দল অস্ট্রেলিয়া। ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলেছিল। সেই দলে ছিলেন টিম কাহিলের মতো তারকা। অস্ট্রেলিয়া ২০২৪ সালের জুনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকায় আরেকটি ম্যাচ খেললেও সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বসুন্ধরার কিংস অ্যারেনায়।
অতীতে ঢাকা স্টেডিয়াম ইরানের বিপক্ষে খেলেছে বাংলাদেশ। খেলেছে চীনের বিপক্ষে। ১৯৮৯ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইরান ও চীনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দুটি ঢাকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অন্যতম হাইপ্রোফাইল ম্যাচ। এই মাঠেই দুইবার থাইল্যান্ডকে হারানোর ইতিহাস আছে বাংলাদেশের। প্রথমবার ১৯৮৫ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ১-০ গোলে, দ্বিতীয়বার ১৯৮৯ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৩-১ গোলে। ঢাকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল জয় লেবাননের বিপক্ষে, ২০১১ সালে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে, ২-০ গোলে।
নতুন সাজে সজ্জিত ঢাকা স্টেডিয়ামে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচটি যেন বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন দিন শুরুর উপলক্ষ। হামজা-শমিত-ফাহমিদুলদের মতো তারকাদের আবির্ভাব, সেই স্বপ্নকে আরও মজবুত করছে। সঙ্গে জামাল ভূঁইয়া, তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, শেখ মোরছালিন, মিতুল মারমা, কাজেম শাহরা তো আছেনই। কাল ঢাকা স্টেডিয়ামে হামজা চৌধুরীর আবির্ভাব, প্রথমবারের মতো তাঁর অনুশীলনে সেই স্বপ্নের পথে যাত্রাটা কিন্তু শুরু হয়েই গেছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”