
বিডিজেন ডেস্ক

যথাযথ প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈধভাবে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের আশিক মিয়া। কিন্তু যাওয়ার পরপরই স্বাস্থ্যগত জটিলতায় তাঁকে দেশে ফিরতে হয়। কিন্তু যাওয়ার আগে মাত্র ৪ হাজার ৪০০ টাকায় ব্র্যাকের প্রবাসীবন্ধু বিমা করেছিলেন তিনি। এখন তিনি আগামী ৬ মাস প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা করে পাবেন।
আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) টাঙ্গাইলের বাসাইলে ব্র্যাকের স্থানীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আশিকের হাতে বিমার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আকলিমা বেগম। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক বেলায়েত হোসেন ও গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট নওশাদুল করিম চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে ৪ জন বিদেশ-ফেরতকে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্যে সাড়ে ৬ লাখ টাকার অর্থ সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাসাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আকলিমা বেগম বলেন, বাসাইলের অনেক মানুষ বিদেশে থাকেন। ভীষণ কষ্ট করে তারা অর্থ পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখেন। কিন্তু এই প্রবাসীরা কখনো বিপদে পড়লে, দুর্ঘটনায় পড়লে তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার কেউ থাকে না। এই বিমা তাদেরকে সুরক্ষা দেবে।'
ব্র্যাক জানিয়েছে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ জীবিকার সন্ধানে বিদেশ যান। কিন্তু স্বাস্থ্য সমস্যা, প্রতিষ্ঠান বন্ধ, হঠাৎ চাকরি হারানো এবং দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে অনেকে চাকরি হারিয়ে দেশে ফেরত আসেন। আবার অনেকে প্রবাসে মারা যান। এই প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ও গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ‘প্রবাসীবন্ধু’ বিমা চালু করা হয়েছে।
বিদেশে যাওয়ার আগে মাত্র ৪ হাজার ৪০০ টাকায় এই বিমা করলে গ্রাহকেরা অসুস্থ হয়ে বিদেশে হাসপাতালে ভর্তি হলে পাবেন ৫০ হাজার টাকার চিকিৎসা ব্যয়। স্বাভাবিকভাবে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে বিমা গ্রাহকের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে ৪ লাখ টাকা। প্রবাসে দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরণ করলে পাবেন ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া, বিদেশে চাকরি হারানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে পাবেন ১৫ হাজার টাকা। প্রবাসীবন্ধু বিমার গ্রাহকেরা কোনো কারণে ফেরত এলে ২ লাখ টাকা এবং দেশে ফেরার পরে মারা গেলে দাফনের খরচ হিসেবে টাকা পাবেন। এ ছাড়াও, বিমা পলিসি গ্রহণকারী ব্যক্তি নিজের জন্যে পাবেন যতদিন প্রয়োজন টেলিমেডিসিন সেবা।
‘প্রবাসীবন্ধু’ বিমার প্রথম অর্থ পাওয়া আশিক মিয়া বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর অসুস্থতার কারণে তাঁকে দেশে ফেরত চলে আসতে হয়। বিমার এই অর্থ তাঁকে দেশেই নতুন করে জীবন শুরু করতে সাহায্য করবে।’
ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘প্রবাসীদের অবদান আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। যাদের কারণে এই অর্জন সেই প্রবাসীদের বিপদে সুরক্ষা দেবে এই বিমা।’
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, ‘আশিক মিয়ার মতো প্রবাসীদের গল্প আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, বিদেশযাত্রায় শুধু স্বপ্ন নয়, ঝুঁকিও রয়েছে। বিমা সেই ঝুঁকিগুলোকে কমিয়ে তাদের সুরক্ষিত রাখবে। পাশাপাশি বিদেশ ফেরতদের জন্য ব্র্যাকের কাউন্সেলিং, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা শুরু করার জন্য অর্থ সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণসহ নানা উদ্যোগ রয়েছে।’ বিজ্ঞপ্তি

যথাযথ প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈধভাবে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের আশিক মিয়া। কিন্তু যাওয়ার পরপরই স্বাস্থ্যগত জটিলতায় তাঁকে দেশে ফিরতে হয়। কিন্তু যাওয়ার আগে মাত্র ৪ হাজার ৪০০ টাকায় ব্র্যাকের প্রবাসীবন্ধু বিমা করেছিলেন তিনি। এখন তিনি আগামী ৬ মাস প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা করে পাবেন।
আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) টাঙ্গাইলের বাসাইলে ব্র্যাকের স্থানীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আশিকের হাতে বিমার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আকলিমা বেগম। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক বেলায়েত হোসেন ও গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট নওশাদুল করিম চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে ৪ জন বিদেশ-ফেরতকে অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠার জন্যে সাড়ে ৬ লাখ টাকার অর্থ সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাসাইল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আকলিমা বেগম বলেন, বাসাইলের অনেক মানুষ বিদেশে থাকেন। ভীষণ কষ্ট করে তারা অর্থ পাঠিয়ে পরিবার ও দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখেন। কিন্তু এই প্রবাসীরা কখনো বিপদে পড়লে, দুর্ঘটনায় পড়লে তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার কেউ থাকে না। এই বিমা তাদেরকে সুরক্ষা দেবে।'
ব্র্যাক জানিয়েছে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ জীবিকার সন্ধানে বিদেশ যান। কিন্তু স্বাস্থ্য সমস্যা, প্রতিষ্ঠান বন্ধ, হঠাৎ চাকরি হারানো এবং দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে অনেকে চাকরি হারিয়ে দেশে ফেরত আসেন। আবার অনেকে প্রবাসে মারা যান। এই প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ও গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ‘প্রবাসীবন্ধু’ বিমা চালু করা হয়েছে।
বিদেশে যাওয়ার আগে মাত্র ৪ হাজার ৪০০ টাকায় এই বিমা করলে গ্রাহকেরা অসুস্থ হয়ে বিদেশে হাসপাতালে ভর্তি হলে পাবেন ৫০ হাজার টাকার চিকিৎসা ব্যয়। স্বাভাবিকভাবে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে বিমা গ্রাহকের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে ৪ লাখ টাকা। প্রবাসে দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরণ করলে পাবেন ২ লাখ টাকা। এ ছাড়া, বিদেশে চাকরি হারানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৬ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে পাবেন ১৫ হাজার টাকা। প্রবাসীবন্ধু বিমার গ্রাহকেরা কোনো কারণে ফেরত এলে ২ লাখ টাকা এবং দেশে ফেরার পরে মারা গেলে দাফনের খরচ হিসেবে টাকা পাবেন। এ ছাড়াও, বিমা পলিসি গ্রহণকারী ব্যক্তি নিজের জন্যে পাবেন যতদিন প্রয়োজন টেলিমেডিসিন সেবা।
‘প্রবাসীবন্ধু’ বিমার প্রথম অর্থ পাওয়া আশিক মিয়া বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর অসুস্থতার কারণে তাঁকে দেশে ফেরত চলে আসতে হয়। বিমার এই অর্থ তাঁকে দেশেই নতুন করে জীবন শুরু করতে সাহায্য করবে।’
ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘প্রবাসীদের অবদান আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। যাদের কারণে এই অর্জন সেই প্রবাসীদের বিপদে সুরক্ষা দেবে এই বিমা।’
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, ‘আশিক মিয়ার মতো প্রবাসীদের গল্প আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, বিদেশযাত্রায় শুধু স্বপ্ন নয়, ঝুঁকিও রয়েছে। বিমা সেই ঝুঁকিগুলোকে কমিয়ে তাদের সুরক্ষিত রাখবে। পাশাপাশি বিদেশ ফেরতদের জন্য ব্র্যাকের কাউন্সেলিং, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও ব্যবসা শুরু করার জন্য অর্থ সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণসহ নানা উদ্যোগ রয়েছে।’ বিজ্ঞপ্তি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।