
প্রতিবেদক, বিডিজেন

গাক (গ্রাম উন্নয়ন কর্ম) স্কুলের (গণশিক্ষা প্রকল্প) ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একদল প্রতারকচক্র। রেজিস্ট্রেশন ফি, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও জামানতসহ নানা খাত দেখিয়ে তারা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে চাকরি প্রার্থীদের কাছ হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের দেওয়া ঠিকানায় অফিস বা স্কুল কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাক স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে শুরুতে অনেকে আবেদন করেন। তারপর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে এক ধরনের মেরিট লিস্ট প্রকাশ করে প্রতারকচক্র। এরপর প্রশিক্ষণ শুরুর জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায়ের ঠিকানা দেওয়া হয়। পরে প্রশিক্ষণ ফি, পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং জামানতের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। টাকা নেওয়ার পর জাল প্রশিক্ষণ কার্ডসহ বিভিন্ন অফিশিয়াল কাগজপত্র প্রার্থীদের কাছে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু আসলে এই নামের কোনো প্রতিষ্ঠান বা অফিস কিছুই নেই। টাকা আদায় শেষে প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকচক্রটি।
প্রতারকচক্র বিজ্ঞপ্তিতে উ্ল্লেখ করে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত গাক স্কুল—গণশিক্ষা প্রকল্প ২০২৫, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। সুযোগ সুবিধা:
প্রতি মাসের বেতন মাসের ১ থেকে ৩ তারিখে মধ্যে প্রদান করা হবে; মাসিক বেতন ছাড়াও বছরে ২টি উৎসব ভাতা, সিটি ভাতা ও জীবনবীমা ভাতা দেওয়া হবে; কাজের অগ্রগতিতে প্রমোশন ও বেতন বৃদ্ধি। সেই সাথে ২০ বছর স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ; সংস্থার পলিসি অনুযায়ী কর্মকালীন সময়ে মৃত্যুজনিত কারণে সকল কর্মীর ক্ষেত্রে ১ লাখ টাকা পরিবারকে প্রদান করা হবে; প্রার্থীদের লেখা-পড়ার সুযোগ থাকবে। কর্মরত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক বছর লটারির মাধ্যমে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিদেশ যাওয়ার সুযোগ থাকবে; পরীক্ষার সময় এবং নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস থাকবে এবং পুরুষদের জন্য পিতৃত্বকালীন ছুটি ৭দিন থাকবে। এ ছাড়া, পুলিশ তদন্ত হবার পরই আপনি উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। (পুলিশ তদন্তের ক্ষেত্রে শর্ত প্রযোজ্য)।’

এমন ভালো সুযোগ–সুবিধা দেখে অনেকে আবেদন করছে আর প্রতারকচক্র তাদের পকেট কাটছে।
চট্টগ্রামের একজন ভুক্তভোগী লিপি আক্তার (ছদ্মনাম) বলেন, আমি গত অক্টোবর মাসে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে ৪২০ টাকা দিয়ে আবেদন করি। পরে তারা আমাকে প্রশিক্ষণের জন্য কার্ড পাঠায়। তবে চাকরির জামানত হিসেব তারা একদিনের মধ্যে ৫ হাজার টাকা চায়। এই টাকা চাওয়ায় আমার বিষয়টি ভালো লাগেনি। পরে তাদের অফিসের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েও বিষয়টি ভুয়া বলে জেনেছি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কামরুজ্জামান নামের একজন শিক্ষক তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘‘এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনেকের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। সবাই সতর্ক থাকুন। এই বিজ্ঞপ্তি সঠিক নয়।’’
প্রতারকচক্রের বিজ্ঞপ্তি ও টাকা গ্রহণের মোবাইল ফোন (০১৯৭৯৯১৯৫৪৭) নম্বরে সাংবাদিক পরিচয় দিলেই ফোন কেটে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে গ্রাম উন্নয়ন কর্মের (গাক) কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বিডিজেনকে বলেন, “আমদের চাকরির বিজ্ঞাপন ভালো কিছু পত্রিকা ও বিডিজবসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। অন্য কোনো জায়গায় কেউ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে সেটা অবশ্যই ভুয়া।” তিনি সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার কথা জানান।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা সামাজিক মাধ্যম বা অনলাইনের সব বিষয় মনিটরিং করার সুযোগ পাই না। তবে কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট বিষয়ে অভিযোগ দিলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করি।”

গাক (গ্রাম উন্নয়ন কর্ম) স্কুলের (গণশিক্ষা প্রকল্প) ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একদল প্রতারকচক্র। রেজিস্ট্রেশন ফি, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও জামানতসহ নানা খাত দেখিয়ে তারা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে চাকরি প্রার্থীদের কাছ হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের দেওয়া ঠিকানায় অফিস বা স্কুল কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাক স্কুলের সহকারী শিক্ষক পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে শুরুতে অনেকে আবেদন করেন। তারপর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে এক ধরনের মেরিট লিস্ট প্রকাশ করে প্রতারকচক্র। এরপর প্রশিক্ষণ শুরুর জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় পর্যায়ের ঠিকানা দেওয়া হয়। পরে প্রশিক্ষণ ফি, পুলিশ ভেরিফিকেশন এবং জামানতের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। টাকা নেওয়ার পর জাল প্রশিক্ষণ কার্ডসহ বিভিন্ন অফিশিয়াল কাগজপত্র প্রার্থীদের কাছে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু আসলে এই নামের কোনো প্রতিষ্ঠান বা অফিস কিছুই নেই। টাকা আদায় শেষে প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকচক্রটি।
প্রতারকচক্র বিজ্ঞপ্তিতে উ্ল্লেখ করে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত গাক স্কুল—গণশিক্ষা প্রকল্প ২০২৫, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। সুযোগ সুবিধা:
প্রতি মাসের বেতন মাসের ১ থেকে ৩ তারিখে মধ্যে প্রদান করা হবে; মাসিক বেতন ছাড়াও বছরে ২টি উৎসব ভাতা, সিটি ভাতা ও জীবনবীমা ভাতা দেওয়া হবে; কাজের অগ্রগতিতে প্রমোশন ও বেতন বৃদ্ধি। সেই সাথে ২০ বছর স্থায়ীভাবে কাজের সুযোগ; সংস্থার পলিসি অনুযায়ী কর্মকালীন সময়ে মৃত্যুজনিত কারণে সকল কর্মীর ক্ষেত্রে ১ লাখ টাকা পরিবারকে প্রদান করা হবে; প্রার্থীদের লেখা-পড়ার সুযোগ থাকবে। কর্মরত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক বছর লটারির মাধ্যমে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিদেশ যাওয়ার সুযোগ থাকবে; পরীক্ষার সময় এবং নারীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস থাকবে এবং পুরুষদের জন্য পিতৃত্বকালীন ছুটি ৭দিন থাকবে। এ ছাড়া, পুলিশ তদন্ত হবার পরই আপনি উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। (পুলিশ তদন্তের ক্ষেত্রে শর্ত প্রযোজ্য)।’

এমন ভালো সুযোগ–সুবিধা দেখে অনেকে আবেদন করছে আর প্রতারকচক্র তাদের পকেট কাটছে।
চট্টগ্রামের একজন ভুক্তভোগী লিপি আক্তার (ছদ্মনাম) বলেন, আমি গত অক্টোবর মাসে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে ৪২০ টাকা দিয়ে আবেদন করি। পরে তারা আমাকে প্রশিক্ষণের জন্য কার্ড পাঠায়। তবে চাকরির জামানত হিসেব তারা একদিনের মধ্যে ৫ হাজার টাকা চায়। এই টাকা চাওয়ায় আমার বিষয়টি ভালো লাগেনি। পরে তাদের অফিসের ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েও বিষয়টি ভুয়া বলে জেনেছি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কামরুজ্জামান নামের একজন শিক্ষক তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘‘এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনেকের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে। সবাই সতর্ক থাকুন। এই বিজ্ঞপ্তি সঠিক নয়।’’
প্রতারকচক্রের বিজ্ঞপ্তি ও টাকা গ্রহণের মোবাইল ফোন (০১৯৭৯৯১৯৫৪৭) নম্বরে সাংবাদিক পরিচয় দিলেই ফোন কেটে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে গ্রাম উন্নয়ন কর্মের (গাক) কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বিডিজেনকে বলেন, “আমদের চাকরির বিজ্ঞাপন ভালো কিছু পত্রিকা ও বিডিজবসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। অন্য কোনো জায়গায় কেউ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে সেটা অবশ্যই ভুয়া।” তিনি সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার কথা জানান।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা সামাজিক মাধ্যম বা অনলাইনের সব বিষয় মনিটরিং করার সুযোগ পাই না। তবে কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট বিষয়ে অভিযোগ দিলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করি।”
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”