
বিডিজেন ডেস্ক

কর্মী ভিসায় সৌদি আরব যেতে মেনিনজাইটিস টিকা নিতে হবে না বলে জানিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। তবে যারা ওমরাহ ও ভ্রমণ ভিসায় দেশটিতে যাবেন, তাদের অবশ্যই টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের ১০ দিন আগে এই টিকা নিতে হবে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরব সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকে গতকাল সোমবার (২০ জানুয়ারি) হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক জানিয়ে নির্দেশনা দেয় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
নির্দেশনায় বলা হয়, যারা ওমরাহ বা হজ করতে যাবেন, অথবা ভ্রমণ ভিসায় সৌদি আরব যাবেন তাদের সবার জন্যই এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। সৌদি আরবে ভ্রমণের কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের সময় সেই টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এক বছরের কমবয়সী শিশুদের এ টিকা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ গত ৩ বছরের মধ্যে এই টিকা নিয়ে থাকলে তাকে নতুন করে টিকা দিতে হবে না। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এ নিয়ম কার্যকর হবে। এ জন্য সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন দপ্তর সব এয়ারলাইনসকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে।
এ টিকা ছাড়াও কয়েকটি দেশের ওমরাহ যাত্রীদের করোনাভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পীতজ্বর ও পোলিওর টিকা নিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তানের যাত্রীদের জন্য পোলিও এবং অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার যাত্রীদের জন্য পীতজ্বরের টিকা বাধ্যতামূলক।
চীনসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) এরই মধ্যে বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১৩ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নির্দেশনায় এইচএমপিভির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
আরও পড়ুন

কর্মী ভিসায় সৌদি আরব যেতে মেনিনজাইটিস টিকা নিতে হবে না বলে জানিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। তবে যারা ওমরাহ ও ভ্রমণ ভিসায় দেশটিতে যাবেন, তাদের অবশ্যই টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের ১০ দিন আগে এই টিকা নিতে হবে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরব সরকারের নতুন নির্দেশনার আলোকে গতকাল সোমবার (২০ জানুয়ারি) হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক জানিয়ে নির্দেশনা দেয় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
নির্দেশনায় বলা হয়, যারা ওমরাহ বা হজ করতে যাবেন, অথবা ভ্রমণ ভিসায় সৌদি আরব যাবেন তাদের সবার জন্যই এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। সৌদি আরবে ভ্রমণের কমপক্ষে ১০ দিন আগে মেনিনজাইটিসের টিকা নিতে হবে। ভ্রমণের সময় সেই টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, এক বছরের কমবয়সী শিশুদের এ টিকা বাধ্যতামূলক নয়। কেউ গত ৩ বছরের মধ্যে এই টিকা নিয়ে থাকলে তাকে নতুন করে টিকা দিতে হবে না। ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এ নিয়ম কার্যকর হবে। এ জন্য সৌদি আরবের সিভিল এভিয়েশন দপ্তর সব এয়ারলাইনসকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে।
এ টিকা ছাড়াও কয়েকটি দেশের ওমরাহ যাত্রীদের করোনাভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, পীতজ্বর ও পোলিওর টিকা নিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তানের যাত্রীদের জন্য পোলিও এবং অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার যাত্রীদের জন্য পীতজ্বরের টিকা বাধ্যতামূলক।
চীনসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) এরই মধ্যে বাংলাদেশেও শনাক্ত হয়েছে। ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১৩ জানুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নির্দেশনায় এইচএমপিভির বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।