
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য জানিয়েছেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের মাঠে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ জন এবং দেশের ৫টি জেলার ১৭টি আসনে নৌবাহিনীর ৫ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকে ১ হাজার ২১০ প্লাটুন, অর্থাৎ ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
দেশের ১০টি জেলার ১৭টি আসনে, ২০টি উপজেলার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্য মোতায়েন করবে।
পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন আনসার সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) থেকে মোট ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই তথ্য জানিয়েছেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, নির্বাচনের মাঠে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার, বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ জন এবং দেশের ৫টি জেলার ১৭টি আসনে নৌবাহিনীর ৫ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) থেকে ১ হাজার ২১০ প্লাটুন, অর্থাৎ ৩৭ হাজার ৪৫৩ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
দেশের ১০টি জেলার ১৭টি আসনে, ২০টি উপজেলার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্য মোতায়েন করবে।
পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন আনসার সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) থেকে মোট ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”