
বিডিজেন ডেস্ক

জনপ্রিয় গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান অবশেষে তার বিয়ের খবরের সত্যতা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল তাহসানের সঙ্গে রোজা আহমেদ নামের এক তরুণীর ছবি। গায়েহলুদের ছবি। সেই ছবি ঘিরে তৈরি হয় জল্পনা। শনিবার (৪ জানুয়ারি) সারাদিন স্যোশালমিডিয়ায় তোলপাড় ছিল তাহসানের বিয়ের খবরে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাহসান। তবে প্রাথমিক অবস্থায় অস্বীকার করলেও অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাহসান জানিয়েছেন, গত শুক্রবার ছিল তাঁদের গায়েহলুদ। সে ছবিই ভাইরাল হয়েছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে শনিবার। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আজ (শনিবার) বিয়ে হয়। বিয়ে করার পরই সবাইকে জানাতে চেয়েছি। যে কারণে আগে কাউকে কিছু বলিনি। শুভ কাজটা আমরা আজ সেরেছি। আমরা যেন একসঙ্গে সুন্দরভাবে পথ চলতে পারি, সেই দোয়া চাই।’
এর আগে শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোজা আহমেদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন তাহসান। মুহূর্তেই সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। ১ ঘণ্টায় সাড়ে ৫ লাখ প্রতিক্রিয়া। ৮৫ হাজারের বেশি ভক্ত তাঁদের শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘কোনো এক ছুটির দিনে যখন আমি পিয়ানোতে/ আমার সুরে নাচের মুদ্রায়, সেই তুমি কে?/ যার ছন্দের মুগ্ধতায় কেটে যাবে বাকিটা জীবন/ ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে, সেই তুমি কে?’

রোজার সঙ্গে কীভাবে পরিচয়, জানতে চাইলে তাহসান বলেন, ‘বেশ আগেই আমাদের পরিচয়। সেখানে থেকেই কথা হতো। পরে গত বছর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই।’
রোজা আহমেদ বরিশালের মেয়ে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে নিউইয়র্কে ব্রাইডাল মেকআপ নিয়ে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার নামে নিজের প্রতিষ্ঠানও আছে। নিউইয়র্কে ব্রাইডাল মেকআপ নিয়েই তিনি থাকতে চান।
আরও পড়ুন

জনপ্রিয় গায়ক, অভিনেতা তাহসান খান অবশেষে তার বিয়ের খবরের সত্যতা প্রকাশ করেছেন। শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছিল তাহসানের সঙ্গে রোজা আহমেদ নামের এক তরুণীর ছবি। গায়েহলুদের ছবি। সেই ছবি ঘিরে তৈরি হয় জল্পনা। শনিবার (৪ জানুয়ারি) সারাদিন স্যোশালমিডিয়ায় তোলপাড় ছিল তাহসানের বিয়ের খবরে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তাহসান। তবে প্রাথমিক অবস্থায় অস্বীকার করলেও অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাহসান জানিয়েছেন, গত শুক্রবার ছিল তাঁদের গায়েহলুদ। সে ছবিই ভাইরাল হয়েছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে শনিবার। বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে তিনি বলেন, ‘আমাদের দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আজ (শনিবার) বিয়ে হয়। বিয়ে করার পরই সবাইকে জানাতে চেয়েছি। যে কারণে আগে কাউকে কিছু বলিনি। শুভ কাজটা আমরা আজ সেরেছি। আমরা যেন একসঙ্গে সুন্দরভাবে পথ চলতে পারি, সেই দোয়া চাই।’
এর আগে শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোজা আহমেদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন তাহসান। মুহূর্তেই সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। ১ ঘণ্টায় সাড়ে ৫ লাখ প্রতিক্রিয়া। ৮৫ হাজারের বেশি ভক্ত তাঁদের শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘কোনো এক ছুটির দিনে যখন আমি পিয়ানোতে/ আমার সুরে নাচের মুদ্রায়, সেই তুমি কে?/ যার ছন্দের মুগ্ধতায় কেটে যাবে বাকিটা জীবন/ ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে, সেই তুমি কে?’

রোজার সঙ্গে কীভাবে পরিচয়, জানতে চাইলে তাহসান বলেন, ‘বেশ আগেই আমাদের পরিচয়। সেখানে থেকেই কথা হতো। পরে গত বছর বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই।’
রোজা আহমেদ বরিশালের মেয়ে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে নিউইয়র্কে ব্রাইডাল মেকআপ নিয়ে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার নামে নিজের প্রতিষ্ঠানও আছে। নিউইয়র্কে ব্রাইডাল মেকআপ নিয়েই তিনি থাকতে চান।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”