
বিডিজেন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলপ্রয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বাংলাদেশ জাসদ।
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে ১০ মিনিটের প্রতীকী ওয়াকআউট করে দলগুলো।
সকাল ১১টার কয়েক মিনিটে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৮তম দিনের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে সঞ্চালক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজকে কথা বলার অনুরোধ করেন।
এ সময় বক্তব্য দেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। সেটার প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
রুহিন হোসেন বলেন, অতীতে আমরা দেখতাম স্বৈরাচারী শাসকেরা এ ধরনের ঘটনা ঘটলে যে ধরনের ঘটনাগুলো ঘটত তারই ছায়া দেখতাম। স্বৈরাচারে যারা ছিল তারা এখানে নানা সংকট, ষড়যন্ত্র করবে, সেটা জানি।
রুহিন হোসেন আরও বলেন, একজন উপদেষ্টাকে দেখলাম তিনি বলছেন, গতকালের ঘটনা স্বৈরাচারেরা করেছে। এটাকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করা কাজ। আগে স্বৈরাচারী হাসিনা যখন বিপদে পড়ত এ ধরনের কথা বলত, তার পাশে ১৪ দল বা অন্যরা বসে থাকত, বলত সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। সেরকম দেখছি।
ঐকমত্যের আলোচনা জরুরি উল্লেখ করে রুহিন হোসেন বলেন, এ ঘটনার প্রতিবাদ করা ছাড়া এখানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য ১০ মিনিটের জন্য থাকতে চাই না।
এ সময় তাঁকে সমর্থন জানান বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির মুশতাক হোসেন এবং বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।
সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে তাঁরা সংলাপে ফেরেন।
উল্লেখ্য, তদন্ত, ক্ষতিপূরণসহ ৬ দফা দাবিতে গতকাল সোমবার মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। সেখানে আইন উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবকে ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়।
এদিকে শিক্ষা ও আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে একদল শিক্ষার্থী সচিবালয়ে প্রবেশ করলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ করে। উভয় পক্ষে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়।

রাজধানী ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বলপ্রয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বাংলাদেশ জাসদ।
আজ বুধবার (২৩ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে ১০ মিনিটের প্রতীকী ওয়াকআউট করে দলগুলো।
সকাল ১১টার কয়েক মিনিটে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৮তম দিনের অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে সঞ্চালক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজকে কথা বলার অনুরোধ করেন।
এ সময় বক্তব্য দেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। সেটার প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
রুহিন হোসেন বলেন, অতীতে আমরা দেখতাম স্বৈরাচারী শাসকেরা এ ধরনের ঘটনা ঘটলে যে ধরনের ঘটনাগুলো ঘটত তারই ছায়া দেখতাম। স্বৈরাচারে যারা ছিল তারা এখানে নানা সংকট, ষড়যন্ত্র করবে, সেটা জানি।
রুহিন হোসেন আরও বলেন, একজন উপদেষ্টাকে দেখলাম তিনি বলছেন, গতকালের ঘটনা স্বৈরাচারেরা করেছে। এটাকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করা কাজ। আগে স্বৈরাচারী হাসিনা যখন বিপদে পড়ত এ ধরনের কথা বলত, তার পাশে ১৪ দল বা অন্যরা বসে থাকত, বলত সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। সেরকম দেখছি।
ঐকমত্যের আলোচনা জরুরি উল্লেখ করে রুহিন হোসেন বলেন, এ ঘটনার প্রতিবাদ করা ছাড়া এখানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য ১০ মিনিটের জন্য থাকতে চাই না।
এ সময় তাঁকে সমর্থন জানান বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির মুশতাক হোসেন এবং বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।
সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে তাঁরা সংলাপে ফেরেন।
উল্লেখ্য, তদন্ত, ক্ষতিপূরণসহ ৬ দফা দাবিতে গতকাল সোমবার মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। সেখানে আইন উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবকে ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়।
এদিকে শিক্ষা ও আইন উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে একদল শিক্ষার্থী সচিবালয়ে প্রবেশ করলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ করে। উভয় পক্ষে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।