
প্রতিবেদক, বিডিজেন

রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন মো. কামরুল ইসলাম নামে এক মালয়েশিয়াপ্রবাসী।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পথচারীরা তাকে দ্রুত ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার পার্খাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পথচারী আমিনুল ইসলাম জানান, বিকেলের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের ফুটপাতে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন তার কাঁধে একটি ব্যাগ ও কোমরে একটি ছোট বেল্ট ব্যাগ ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি কথা বলতে পারছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তিনি মালয়েশিয়াপ্রবাসী এবং সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বাসে করে যশোরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
আমিনুল আরও জানান, ওই যুবক [কামরুল] বলেন তার সঙ্গে একটি বড় লাগেজ ছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসযাত্রার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে তার লাগেজ, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার কাছে কেবল কাঁধের একটি ব্যাগ ও বেল্টের ছোট ব্যাগটি ছিল। ওই বেল্ট ব্যাগ থেকেই তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
পরে ওই যুবক আবারও অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ভবনের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
পথচারীরা জানান, বেল্ট ব্যাগে থাকা মানিব্যাগে কয়েকটি মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন মো. কামরুল ইসলাম নামে এক মালয়েশিয়াপ্রবাসী।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের সামনের ফুটপাত থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে পথচারীরা তাকে দ্রুত ঢামেকের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী কামরুল ইসলাম যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার পার্খাজুড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পথচারী আমিনুল ইসলাম জানান, বিকেলের দিকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্টের ফুটপাতে এক যুবককে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন তার কাঁধে একটি ব্যাগ ও কোমরে একটি ছোট বেল্ট ব্যাগ ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি কথা বলতে পারছিলেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তিনি মালয়েশিয়াপ্রবাসী এবং সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে বাসে করে যশোরের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন।
আমিনুল আরও জানান, ওই যুবক [কামরুল] বলেন তার সঙ্গে একটি বড় লাগেজ ছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসযাত্রার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নেশাজাতীয় কোনো দ্রব্য খাইয়ে তার লাগেজ, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। তার কাছে কেবল কাঁধের একটি ব্যাগ ও বেল্টের ছোট ব্যাগটি ছিল। ওই বেল্ট ব্যাগ থেকেই তার পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
পরে ওই যুবক আবারও অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ভবনের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
পথচারীরা জানান, বেল্ট ব্যাগে থাকা মানিব্যাগে কয়েকটি মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”