
প্রতিবেদক, বিডিজেন

সম্প্রতি লিবিয়ার ত্রিপলি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্র উপকূলবর্তী শহর জাওয়াইয়া থেকে অবৈধভাবে ইউরোপের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরের মাঝপথে দুর্ঘটনায় পড়ে। নৌকাটি গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূল ছেড়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। এ দুর্ঘটনায় এখনো ৭ বাংলাদেশি নিখোঁজ আছে বলে ধারণা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অণুবিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
লিবিয়ার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্য বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ওই দুর্ঘটনায় ৩৭ জনকে জীবিত ও ১৪ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। জীবিত উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩৫ জন পাকিস্তানি অভিবাসী এবং ২ জন বাংলাদেশি অভিবাসী। আর মৃত উদ্ধারকৃতদের সবাই পাকিস্তানি অভিবাসী বলে ত্রিপলীর পাকিস্তান দূতাবাস কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে, নৌকাটিতে ৬৩ জন পাকিস্তানি, ৯ জন বাংলাদেশি এবং ২ জন মিসরীয় নাগরিক ছিল। জীবিত উদ্ধার হওয়া ২ বাংলাদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্থানীয় বির আল গানাম জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ৭ বাংলাদেশি নিখোঁজ আছে বলে ধারণা করা যায়।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে আইওএমের আঞ্চলিক পরিচালক, কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। জীবিত উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও দূতাবাস থেকে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন

সম্প্রতি লিবিয়ার ত্রিপলি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্র উপকূলবর্তী শহর জাওয়াইয়া থেকে অবৈধভাবে ইউরোপের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরের মাঝপথে দুর্ঘটনায় পড়ে। নৌকাটি গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূল ছেড়ে যায় বলে ধারণা করা হয়। এ দুর্ঘটনায় এখনো ৭ বাংলাদেশি নিখোঁজ আছে বলে ধারণা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অণুবিভাগের মহাপরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।
লিবিয়ার বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্য বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ওই দুর্ঘটনায় ৩৭ জনকে জীবিত ও ১৪ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। জীবিত উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩৫ জন পাকিস্তানি অভিবাসী এবং ২ জন বাংলাদেশি অভিবাসী। আর মৃত উদ্ধারকৃতদের সবাই পাকিস্তানি অভিবাসী বলে ত্রিপলীর পাকিস্তান দূতাবাস কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে, নৌকাটিতে ৬৩ জন পাকিস্তানি, ৯ জন বাংলাদেশি এবং ২ জন মিসরীয় নাগরিক ছিল। জীবিত উদ্ধার হওয়া ২ বাংলাদেশিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্থানীয় বির আল গানাম জেলখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি ৭ বাংলাদেশি নিখোঁজ আছে বলে ধারণা করা যায়।
মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে আইওএমের আঞ্চলিক পরিচালক, কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট থানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। জীবিত উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্যও দূতাবাস থেকে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।