
প্রতিবেদক, বিডিজেন

উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ১৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫৫৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
আজ বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, গালফ এয়ারের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫৫৭টি ফ্লাইটের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি, ১৫ মার্চ ২৩টি, গতকাল ১৬ মার্চ ৩১টি ফ্লাইট ও আজ ১৭ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট পরিচালনা ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ২৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ১৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫৫৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
আজ বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, গালফ এয়ারের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫৫৭টি ফ্লাইটের মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি, ১৫ মার্চ ২৩টি, গতকাল ১৬ মার্চ ৩১টি ফ্লাইট ও আজ ১৭ মার্চ ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট পরিচালনা ও বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।