
বিডিজেন ডেস্ক

প্রায় সাড়ে ৮ বছর পর প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন আলামিন মন্ডল। স্ত্রী-সন্তান আর পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিছুদিন আনন্দে কাটানোর আশা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। বাড়িতে ফিরে ঘরে ঢুকে দেখেন, আড়ার সঙ্গে স্ত্রী পপি বেগমের লাশ ঝুলছে।
খবর প্রথম আলোর।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের জটু মিস্ত্রিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ গৃহবধূ পপি বেগমের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করেছে। প্রবাসী আলামিন মন্ডল ও পপি বেগম দম্পতির ঘরে ১৩ বছর বয়সী আদিব মন্ডল নামের ৮ম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
প্রবাসী আলামিন মন্ডলের ছোট ভাই নয়ন মন্ডল প্রথম আলোকে জানান, প্রায় সাড়ে ৮ বছর পর ইরাক থেকে দেশে ফিরছিলেন তাঁর বড় ভাই আলামিন মন্ডল। তাঁকে আনতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আলামিনের ছেলে আদিব মন্ডল, মা–চাচিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বিমানবন্দরে যান। এ সময় আলামিনের নানি এবং স্ত্রী পপি বেগম বাড়িতে ছিলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে আলামিনকে বহনকারী মাইক্রোবাস বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় ৩ বছর আগে মারা যাওয়া বাবার কবর জিয়ারত করেন আলামিন।
নয়ন মন্ডল আরও বলেন, কবর জিয়ারত শেষে আলামিন তাঁর স্ত্রীকে দেখতে ঘরের দিকে ছোটেন। তার আগে তাঁর ছেলে আদিব মন্ডল ডাকাডাকি করতে থাকলেও মায়ের সাড়াশব্দ পাচ্ছিল না। ঘরের চারপাশ উঁকি দেওয়ার পর ঘরের ভেতরে একটি কক্ষের আড়ার সঙ্গে মায়ের লাশ ঝুলতে দেখে চিৎকার দেয় সে। এরপর লোহার শাবল দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আলামিন এই দৃশ্য দেখে আহাজারি শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে দীর্ঘদিন পর আলামিন ইরাক থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে আনতে পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে গেলেও আলামিনের স্ত্রী পপি বেগমকে সঙ্গে নেননি। ধারণা করা হচ্ছে, এ অভিমানে গৃহবধূ পপি বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।
সূত্র: প্রথম আলো

প্রায় সাড়ে ৮ বছর পর প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন আলামিন মন্ডল। স্ত্রী-সন্তান আর পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিছুদিন আনন্দে কাটানোর আশা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। বাড়িতে ফিরে ঘরে ঢুকে দেখেন, আড়ার সঙ্গে স্ত্রী পপি বেগমের লাশ ঝুলছে।
খবর প্রথম আলোর।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের জটু মিস্ত্রিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ গৃহবধূ পপি বেগমের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করেছে। প্রবাসী আলামিন মন্ডল ও পপি বেগম দম্পতির ঘরে ১৩ বছর বয়সী আদিব মন্ডল নামের ৮ম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
প্রবাসী আলামিন মন্ডলের ছোট ভাই নয়ন মন্ডল প্রথম আলোকে জানান, প্রায় সাড়ে ৮ বছর পর ইরাক থেকে দেশে ফিরছিলেন তাঁর বড় ভাই আলামিন মন্ডল। তাঁকে আনতে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আলামিনের ছেলে আদিব মন্ডল, মা–চাচিসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা বিমানবন্দরে যান। এ সময় আলামিনের নানি এবং স্ত্রী পপি বেগম বাড়িতে ছিলেন। আজ দুপুর ১২টার দিকে আলামিনকে বহনকারী মাইক্রোবাস বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় ৩ বছর আগে মারা যাওয়া বাবার কবর জিয়ারত করেন আলামিন।
নয়ন মন্ডল আরও বলেন, কবর জিয়ারত শেষে আলামিন তাঁর স্ত্রীকে দেখতে ঘরের দিকে ছোটেন। তার আগে তাঁর ছেলে আদিব মন্ডল ডাকাডাকি করতে থাকলেও মায়ের সাড়াশব্দ পাচ্ছিল না। ঘরের চারপাশ উঁকি দেওয়ার পর ঘরের ভেতরে একটি কক্ষের আড়ার সঙ্গে মায়ের লাশ ঝুলতে দেখে চিৎকার দেয় সে। এরপর লোহার শাবল দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আলামিন এই দৃশ্য দেখে আহাজারি শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় গোয়ালন্দ ঘাট থানার পুলিশ।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে দীর্ঘদিন পর আলামিন ইরাক থেকে দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে আনতে পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে গেলেও আলামিনের স্ত্রী পপি বেগমকে সঙ্গে নেননি। ধারণা করা হচ্ছে, এ অভিমানে গৃহবধূ পপি বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।
সূত্র: প্রথম আলো
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”