
বিডিজেন ডেস্ক

দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ১৯৯০ সাল থেকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন, আয়ক্ষয়কারী বিভিন্ন ঝুঁকি নিরসন এবং দক্ষতা উন্নয়নের কাজ করছে। এ লক্ষ্যে, অন্য কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে প্রায় ৪০০টি ভ্যালু চেইন উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল লক্ষ্য অর্জনকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে সম্প্রতি পিকেএসএফ 'কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। এর প্রেক্ষিতে, পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) মধ্যে গতকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং সানেমের সভাপতি ড. বজলুল হক খন্দকার এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফের সম্মানিত চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। তিনি আগামীতে সময়োপযোগী, উৎপাদনমুখী, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোগের দ্রুত বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
এ উদ্দেশ্যে পিকেএসএফের বিভিন্ন ভবিষ্যতমুখী, উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করে জাকির আহমেদ খান এসব কার্যক্রম উচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের জন্য পিকেএসএফের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।

দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ১৯৯০ সাল থেকে ক্ষুদ্র অর্থায়ন, আয়ক্ষয়কারী বিভিন্ন ঝুঁকি নিরসন এবং দক্ষতা উন্নয়নের কাজ করছে। এ লক্ষ্যে, অন্য কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে প্রায় ৪০০টি ভ্যালু চেইন উন্নয়ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল লক্ষ্য অর্জনকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে সম্প্রতি পিকেএসএফ 'কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। এর প্রেক্ষিতে, পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থানের গুণগতমান সম্পর্কে অধিকতর ধারণা লাভের জন্য পিকেএসএফ এবং সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) মধ্যে গতকাল রোববার (১৯ এপ্রিল) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং সানেমের সভাপতি ড. বজলুল হক খন্দকার এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফের সম্মানিত চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। তিনি আগামীতে সময়োপযোগী, উৎপাদনমুখী, মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোগের দ্রুত বিকাশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
এ উদ্দেশ্যে পিকেএসএফের বিভিন্ন ভবিষ্যতমুখী, উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্পর্কে আলোকপাত করে জাকির আহমেদ খান এসব কার্যক্রম উচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের জন্য পিকেএসএফের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।