
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বাহরাইনে আটকা পড়া প্রবাসীদের জন্য ২টি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাস বলেছে, গালফ এয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফেরার ২টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এই ফ্লাইট সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে চলাচল করবে।
প্রথম ফ্লাইটটি আগামী ২৭ মার্চ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে দাম্মাম হয়ে বাহরাইনে পৌঁছাবে। একই দিনে ফ্লাইটটি আবার বাহরাইন থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরবে।
দ্বিতীয় ফ্লাইটটি আগামী ৩ এপ্রিল একই রুটে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, ঢাকা থেকে দাম্মাম হয়ে বাহরাইনে যাবে এবং একই দিন বাহরাইন থেকে আবার ঢাকায় ফিরবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, যারা বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফিরতে আগ্রহী, তাদের নির্ধারিত গুগল ফরম পূরণ করে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর যাত্রীদের পরবর্তী নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ফ্লাইট: দাম্মাম থেকে ঢাকা
গুগল ফর্ম: https://forms.gle/Z8pU1jhTEZVFBrqC6
ফ্লাইট: ঢাকা থেকে দাম্মাম
গুগল ফর্ম: https://forms.gle/oxBLPyCnMpxd6bdi6

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বাহরাইনে আটকা পড়া প্রবাসীদের জন্য ২টি বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে।
দূতাবাস বলেছে, গালফ এয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফেরার ২টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। এই ফ্লাইট সৌদি আরবের দাম্মাম হয়ে চলাচল করবে।
প্রথম ফ্লাইটটি আগামী ২৭ মার্চ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে দাম্মাম হয়ে বাহরাইনে পৌঁছাবে। একই দিনে ফ্লাইটটি আবার বাহরাইন থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরবে।
দ্বিতীয় ফ্লাইটটি আগামী ৩ এপ্রিল একই রুটে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, ঢাকা থেকে দাম্মাম হয়ে বাহরাইনে যাবে এবং একই দিন বাহরাইন থেকে আবার ঢাকায় ফিরবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, যারা বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফিরতে আগ্রহী, তাদের নির্ধারিত গুগল ফরম পূরণ করে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর যাত্রীদের পরবর্তী নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ফ্লাইট: দাম্মাম থেকে ঢাকা
গুগল ফর্ম: https://forms.gle/Z8pU1jhTEZVFBrqC6
ফ্লাইট: ঢাকা থেকে দাম্মাম
গুগল ফর্ম: https://forms.gle/oxBLPyCnMpxd6bdi6
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।