
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতায় ৪ বাংলাদেশি নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ দেশে এসেছে।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে ৫৮২ নম্বর ফ্লাইটে দুবাইয়ে নিহত আহমদ আলীর মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌছায়।
বিমানবন্দরে তার মরদেহ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার প্রমুখ।
মো. নুরুল হক বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত ৪ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তার মধ্যে বাহরাইনে ১ জন, দুবাইয়ে ১ জন ও সৌদি আরবে ২ জন নিহত হয়েছেন। দুবাইয়ে নিহত আহমদ আলী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, নিহত ৪ জনের পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের মরদেহ দেশে নিয়ে আসাসহ সার্বিক কাজে মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া, যারা আহত হয়েছেন তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলো পূর্ণাঙ্গ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আহমদ আলীর পরিবারের প্রতি সহমর্মিতাও জানান তিনি।
মো. নুরুল হক প্রবাসীদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, প্রবাসী ভাইয়েরা যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছেন তাদের প্রতি আমাদের একটা আহ্বান থাকবে, যেহেতু এখনকার এই সংকটের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো হাত নেই তাদের প্রতি আমাদের একটা নির্দেশনা বা পরামর্শ হচ্ছে, যতটুকু সম্ভব সংঘাতপূর্ণ এবং বিশেষ করে যে স্থানগুলো আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে সেই সমস্ত এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার। এ ছাড়া, সতর্কতার সাইরেনসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যে দিকনির্দেশনা দিচ্ছে সেগুলো মেনে চলা।
পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আসলে আমরা এখানে এসেছি খুবই হৃদয়বিদারক একটা অবস্থায়, বলার কিছুই নেই। আমরা সবসময় বলে এসেছি, বাংলাদেশের কাছে দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিহতদের পরিবারের সাথে আমরা যোগাযোগ করেছি, কথা বলেছি। তাদের মরদেহ কীভাবে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি সে কাজও আমরা করছি। আমরা এতটুকুই বলতে পারি, বিমানবন্দরে এভাবে আসতে হবে সেটা আমরা কখনো চিন্তা করিনি। আমরা আশা করব, আর যেন আমাদের মৃত্যু দেখতে না হয়। আশা করছি এ অবস্থা ও এ যুদ্ধের অবসান ঘটবে।

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতায় ৪ বাংলাদেশি নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ দেশে এসেছে।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে ৫৮২ নম্বর ফ্লাইটে দুবাইয়ে নিহত আহমদ আলীর মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌছায়।
বিমানবন্দরে তার মরদেহ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার প্রমুখ।
মো. নুরুল হক বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত ৪ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তার মধ্যে বাহরাইনে ১ জন, দুবাইয়ে ১ জন ও সৌদি আরবে ২ জন নিহত হয়েছেন। দুবাইয়ে নিহত আহমদ আলী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, নিহত ৪ জনের পরিবারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাদের মরদেহ দেশে নিয়ে আসাসহ সার্বিক কাজে মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া, যারা আহত হয়েছেন তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসগুলো পূর্ণাঙ্গ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আহমদ আলীর পরিবারের প্রতি সহমর্মিতাও জানান তিনি।
মো. নুরুল হক প্রবাসীদের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, প্রবাসী ভাইয়েরা যারা মধ্যপ্রাচ্যে আছেন তাদের প্রতি আমাদের একটা আহ্বান থাকবে, যেহেতু এখনকার এই সংকটের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো হাত নেই তাদের প্রতি আমাদের একটা নির্দেশনা বা পরামর্শ হচ্ছে, যতটুকু সম্ভব সংঘাতপূর্ণ এবং বিশেষ করে যে স্থানগুলো আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে সেই সমস্ত এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার। এ ছাড়া, সতর্কতার সাইরেনসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যে দিকনির্দেশনা দিচ্ছে সেগুলো মেনে চলা।
পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, আসলে আমরা এখানে এসেছি খুবই হৃদয়বিদারক একটা অবস্থায়, বলার কিছুই নেই। আমরা সবসময় বলে এসেছি, বাংলাদেশের কাছে দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিহতদের পরিবারের সাথে আমরা যোগাযোগ করেছি, কথা বলেছি। তাদের মরদেহ কীভাবে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে পারি সে কাজও আমরা করছি। আমরা এতটুকুই বলতে পারি, বিমানবন্দরে এভাবে আসতে হবে সেটা আমরা কখনো চিন্তা করিনি। আমরা আশা করব, আর যেন আমাদের মৃত্যু দেখতে না হয়। আশা করছি এ অবস্থা ও এ যুদ্ধের অবসান ঘটবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।