
বিডিজেন ডেস্ক

‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদ্যাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনের মিলনায়তন-১-এ একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। বক্তব্য দেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মহাব্যবস্থাপক মো. মেছবাহুর রহমান। এরপর নির্ধারিত বিষয়ের ওপর উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের নারী কর্মকর্তারা।
ব্যবস্থাপক মাহমুদা মোরশেদ দিবসটির মূল প্রতিপাদ্যের ওপর আলোকপাত করেন। ব্যবস্থাপক জেসমিন আরা ‘নারীর কর্ম পরিবেশ’ এবং উপ-ব্যবস্থাপক আনিকা জামান তাসনীম ‘দরিদ্র নারী ও নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রযাত্রা’ বিষয়ে দুটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার বক্তব্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে চেয়ারম্যান নারী ও কন্যার অধিকার সুরক্ষায় এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি

‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদ্যাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে গতকাল রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনের মিলনায়তন-১-এ একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। বক্তব্য দেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মহাব্যবস্থাপক মো. মেছবাহুর রহমান। এরপর নির্ধারিত বিষয়ের ওপর উপস্থাপনা প্রদান করেন পিকেএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের নারী কর্মকর্তারা।
ব্যবস্থাপক মাহমুদা মোরশেদ দিবসটির মূল প্রতিপাদ্যের ওপর আলোকপাত করেন। ব্যবস্থাপক জেসমিন আরা ‘নারীর কর্ম পরিবেশ’ এবং উপ-ব্যবস্থাপক আনিকা জামান তাসনীম ‘দরিদ্র নারী ও নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রযাত্রা’ বিষয়ে দুটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার বক্তব্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে চেয়ারম্যান নারী ও কন্যার অধিকার সুরক্ষায় এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।