
বিডিজেন ডেস্ক

পাসপোর্ট এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগসহ অন্য উদ্দেশ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিলের সুপারিশ করবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট পাওয়া আপনার অধিকার। পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে কেন? ইংল্যান্ডে, আপনি যখন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন, তখন এটি কেবল পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আসে।’
সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, 'চাকরি নিয়োগসহ অন্য বিষয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন এখন বাধ্যতামূলক, তবে আমরা তা বাতিলের সুপারিশ করছি। এটা কোথাও প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়।
সভায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমানসহ কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাসপোর্ট এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগসহ অন্য উদ্দেশ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিলের সুপারিশ করবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট পাওয়া আপনার অধিকার। পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে কেন? ইংল্যান্ডে, আপনি যখন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন, তখন এটি কেবল পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আসে।’
সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, 'চাকরি নিয়োগসহ অন্য বিষয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন এখন বাধ্যতামূলক, তবে আমরা তা বাতিলের সুপারিশ করছি। এটা কোথাও প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়।
সভায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমানসহ কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”