
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসী বাংলাদেশি—শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও নাহিদুল ইসলামের (২২) মরদেহ সাতক্ষীরায় নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে।
আজ রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। শোকের ছায়া নেমে আসে দুই পরিবারসহ পুরো এলাকারজুড়ে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এবং নাহিদুল ইসলামের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার কাঁদাকাঠি গ্রামে।
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
স্বজনেরা জানান, জীবিকার সন্ধানে মাত্র কয়েক মাস আগে লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন শফিকুল ও নাহিদ ইসলাম। পরিবারের স্বপ্ন পূরণে নিরলস পরিশ্রম করলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্মমতায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাদের।
এদিকে, দুই প্রবাসীর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর শেষবারের মতো তাদের একনজর দেখতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা। স্বজনদের কান্না আর শোকে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
কফিন দেখেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন নিহত শফিকুলের স্ত্রী রুমা খাতুন (৩৭)। পরিবারের একমাত্র ভরসা স্বামীকে হারিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে কীভাবে চলবে সংসার, কেমন করে কাটবে দিন—তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। বারবার বিলাপ করে বলছেন, ‘স্বামীহারা স্ত্রী যে কতটা অসহায় অভিভাবকহীন, সেটি বোঝানো যাবে না।’
নিহতদের নিজ বাড়িতে স্থানীয়ভাবে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
নিহদের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে আসা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের খুলনা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক খালেদুর রহমান জানান, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে নিহত শফিকুল ইসলাম ও নাহিদ ইসলামের পরিবারের সদস্যদের হাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকার দুটি চেক প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং জীবন বীমা করপোরেশনের পক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত দুই প্রবাসী বাংলাদেশি—শফিকুল ইসলাম (৪৩) ও নাহিদুল ইসলামের (২২) মরদেহ সাতক্ষীরায় নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে।
আজ রোববার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছানোর পর স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ। শোকের ছায়া নেমে আসে দুই পরিবারসহ পুরো এলাকারজুড়ে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর পূর্বপাড়া গ্রামে এবং নাহিদুল ইসলামের বাড়ি আশাশুনি উপজেলার কাঁদাকাঠি গ্রামে।
গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলার জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
স্বজনেরা জানান, জীবিকার সন্ধানে মাত্র কয়েক মাস আগে লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন শফিকুল ও নাহিদ ইসলাম। পরিবারের স্বপ্ন পূরণে নিরলস পরিশ্রম করলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্মমতায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাদের।
এদিকে, দুই প্রবাসীর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর শেষবারের মতো তাদের একনজর দেখতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা। স্বজনদের কান্না আর শোকে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
কফিন দেখেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন নিহত শফিকুলের স্ত্রী রুমা খাতুন (৩৭)। পরিবারের একমাত্র ভরসা স্বামীকে হারিয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে কীভাবে চলবে সংসার, কেমন করে কাটবে দিন—তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। বারবার বিলাপ করে বলছেন, ‘স্বামীহারা স্ত্রী যে কতটা অসহায় অভিভাবকহীন, সেটি বোঝানো যাবে না।’
নিহতদের নিজ বাড়িতে স্থানীয়ভাবে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
নিহদের বাড়িতে সমবেদনা জানাতে আসা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের খুলনা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক খালেদুর রহমান জানান, মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে নিহত শফিকুল ইসলাম ও নাহিদ ইসলামের পরিবারের সদস্যদের হাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে ৩৫ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকার দুটি চেক প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং জীবন বীমা করপোরেশনের পক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”