
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিন দশক পর নতুন প্রধানমন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। আর দুই দশক পরে ক্ষমতায় ফিরল বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ নেন তারেক রহমান। পরে তিনি গোপনীয়তার শপথ নেন।
এর আগে এদিন সকালে সংসদের শপথ কক্ষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি তারা।
পরে সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্যদের আস্থাভাজনকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। সংসদীয় দলের বৈঠকের পরেই রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিএনপি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিএনপি। বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। জোটের হিসেবে তারা পেয়েছে ২১২টি আসন।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে। যার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি।
আরও পড়ুন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিন দশক পর নতুন প্রধানমন্ত্রী পেল বাংলাদেশ। আর দুই দশক পরে ক্ষমতায় ফিরল বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ নেন তারেক রহমান। পরে তিনি গোপনীয়তার শপথ নেন।
এর আগে এদিন সকালে সংসদের শপথ কক্ষে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন বিএনপির থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি তারা।
পরে সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্যদের আস্থাভাজনকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। সংসদীয় দলের বৈঠকের পরেই রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিএনপি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় বিএনপি। বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। জোটের হিসেবে তারা পেয়েছে ২১২টি আসন।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়েছে। যার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি।
আরও পড়ুন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।