
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আরটি–পিসিআর পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। অন্যদিকে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক মো. হালিমুর রশিদের সই করা স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্মারকে বলা হয়, ১ জুলাই কোভিড-১৯ রোগনির্ণয় ও ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক কমিটির সভা হয়। সভায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোভিড-১৯ র্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি–পিসিআর পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
কোনো অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ফির বেশি আদায় করা যাবে না বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আরটি–পিসিআর পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার টাকা। অন্যদিকে র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোলের (সিডিসি) লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক মো. হালিমুর রশিদের সই করা স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্মারকে বলা হয়, ১ জুলাই কোভিড-১৯ রোগনির্ণয় ও ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক কমিটির সভা হয়। সভায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোভিড-১৯ র্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি–পিসিআর পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
কোনো অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ফির বেশি আদায় করা যাবে না বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”