
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। চারটি রুট হলো—কাতারের দোহা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ, কুয়েত ও সৌদি আরবের দাম্মাম।
সোমবার (৯ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বোসরা ইসলাম বলেন, “যাত্রীদের অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছিল, তার মধ্যে দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইটগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।”
অন্যদিকে, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো ১০ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। পরিস্থিতির উন্নতি এবং সেখানকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফ্লাইট দুটি পুনরায় চালু করা হতে পারে।
বিমানের ফ্লাইট সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য জানতে বিমানের কলসেন্টার: ১৩৬৩৬ (অভ্যন্তরীণ) বা +৮৮০৯৬১০৯ ১৩৬৩৬ (আন্তর্জাতিক) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ইরানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। চারটি রুট হলো—কাতারের দোহা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ, কুয়েত ও সৌদি আরবের দাম্মাম।
সোমবার (৯ মার্চ) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বোসরা ইসলাম বলেন, “যাত্রীদের অবগতির জন্য আমরা জানাচ্ছি যে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী যেসব ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছিল, তার মধ্যে দোহা, শারজাহ, কুয়েত ও দাম্মাম রুটের ফ্লাইটগুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।”
অন্যদিকে, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো ১০ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। পরিস্থিতির উন্নতি এবং সেখানকার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে ফ্লাইট দুটি পুনরায় চালু করা হতে পারে।
বিমানের ফ্লাইট সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য জানতে বিমানের কলসেন্টার: ১৩৬৩৬ (অভ্যন্তরীণ) বা +৮৮০৯৬১০৯ ১৩৬৩৬ (আন্তর্জাতিক) নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।