
বিডিজেন ডেস্ক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন রোধ, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের শামা ওবায়েদ জানান, দীর্ঘদিন পর একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক পরিবেশে আয়োজিত সম্মেলনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, যেখানে তৃণমূল পর্যায়ের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা উঠে এসেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংস্কৃতি এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ইস্যু এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ অভিবাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দালাল চক্রের মাধ্যমে অনেক বাংলাদেশি বিদেশে গিয়ে প্রতারণা ও ঝুঁকির শিকার হচ্ছেন, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে না যায়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী দক্ষ ও অর্ধদক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। যেসব এলাকায় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নেই, সেখানে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজ করতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, দেশের অনেক অঞ্চলে এর প্রভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর এর প্রভাব বেশি। এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ডিসিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের যোগাযোগ আরও উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো প্রয়োজন বা পরামর্শের জন্য তারা সরাসরি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং যেকোনো দেশের সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে এ নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন রোধ, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের শামা ওবায়েদ জানান, দীর্ঘদিন পর একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক পরিবেশে আয়োজিত সম্মেলনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, যেখানে তৃণমূল পর্যায়ের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা উঠে এসেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংস্কৃতি এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ইস্যু এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। এসব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অবৈধ অভিবাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দালাল চক্রের মাধ্যমে অনেক বাংলাদেশি বিদেশে গিয়ে প্রতারণা ও ঝুঁকির শিকার হচ্ছেন, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথে না যায়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী দক্ষ ও অর্ধদক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। যেসব এলাকায় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নেই, সেখানে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজ করতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, দেশের অনেক অঞ্চলে এর প্রভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর এর প্রভাব বেশি। এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে এবং কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ডিসিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের যোগাযোগ আরও উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনো প্রয়োজন বা পরামর্শের জন্য তারা সরাসরি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এবং যেকোনো দেশের সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে এ নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।