
বিডিজেন ডেস্ক

আওয়ামী লীগের নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে বাদলের গ্রামের বাড়িতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চর ফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট–সংলগ্ন বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
দুর্বৃত্তরা এ সময় বাড়ির দ্বিতল ভবনের নিচতলায় মিজানুরের ছোট ভাই রহিম উল্যাহর বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাটের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
বাড়িতে থাকা মিজানুর রহমানের বড় ভাইয়ের জামাতা রাকিবুল ফেরদাউস প্রথম আলোকে বলেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাঁর চাচাশ্বশুর মিজানুর রহমান ও রহমত উল্যাহ বাড়িতে থাকেন না। থাকেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। আজ আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসযোগে ১৪-১৫ জনের একদল তরুণ তাদের (মিজানুরের) চাপরাশিরহাট–সংলগ্ন গ্রামের বাড়িতে হানা দেয়। তাদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। দুর্বৃত্তদের কয়েকজন বাড়ির দ্বিতল ভবনের নিচতলায় ঢুকে পড়ে। আর কয়েকজন দ্বিতীয় তলায় মিজানুর রহমানের বাসায় ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
রাকিবুল ফেরদাউস জানান, দুর্বৃত্তদের কয়েকজন নিচতলায় ঢুকে তাঁর চাচাশ্বশুর রহিম উল্যাহকে খোঁজাখুঁজি করে। তাঁকে না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাটের চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের এক সদস্য কৌশলে ভবনের পেছনের দরজা খুলে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজনকে এগিয়ে আসতে দেখে দুর্বৃত্তরা দ্রুত মাইক্রোবাসযোগে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো বাড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তারা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফৌয়জুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে বাদলের গ্রামের বাড়িতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চর ফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট–সংলগ্ন বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
দুর্বৃত্তরা এ সময় বাড়ির দ্বিতল ভবনের নিচতলায় মিজানুরের ছোট ভাই রহিম উল্যাহর বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাটের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
বাড়িতে থাকা মিজানুর রহমানের বড় ভাইয়ের জামাতা রাকিবুল ফেরদাউস প্রথম আলোকে বলেন, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাঁর চাচাশ্বশুর মিজানুর রহমান ও রহমত উল্যাহ বাড়িতে থাকেন না। থাকেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। আজ আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসযোগে ১৪-১৫ জনের একদল তরুণ তাদের (মিজানুরের) চাপরাশিরহাট–সংলগ্ন গ্রামের বাড়িতে হানা দেয়। তাদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। দুর্বৃত্তদের কয়েকজন বাড়ির দ্বিতল ভবনের নিচতলায় ঢুকে পড়ে। আর কয়েকজন দ্বিতীয় তলায় মিজানুর রহমানের বাসায় ঢোকার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
রাকিবুল ফেরদাউস জানান, দুর্বৃত্তদের কয়েকজন নিচতলায় ঢুকে তাঁর চাচাশ্বশুর রহিম উল্যাহকে খোঁজাখুঁজি করে। তাঁকে না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাটের চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের এক সদস্য কৌশলে ভবনের পেছনের দরজা খুলে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজনকে এগিয়ে আসতে দেখে দুর্বৃত্তরা দ্রুত মাইক্রোবাসযোগে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো বাড়ির বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তারা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফৌয়জুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।