

প্রতিবেদক, বিডিজেন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যের কথা বললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বেআইনি ও বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
আজ শনিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তারেক রহমান বলেন, “জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি। বিভাজন দুর্বলতা।”
গত বৃহস্পতিবার ভোটে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ঘোষিত ২৯৭টি আসনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংসদের বৃহত্তম দলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে। এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মোট সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, “যেকোনো মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। বেআইনি কার্যক্রম ও বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। দুর্বলের ওপর আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।”
দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “শত নির্যাতনের পরেও আপনারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। আমি, আপনি আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “কোনো অপশক্তি যেন অপতৎপরতা চালাতে না পারে–এজন্য বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম।”
তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের, গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “এই নির্বাচনে বিজয় হয়েছে উদারপন্থী গণতন্ত্রের। আসুন, আমাদের তরুণ নেতা তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করি। নতুন যে সূর্য তার আলো নিজেদের আলোকিত করি, আসুন একসাথে নতুন বাংলাদেশে গড়ি।”

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যের কথা বললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বেআইনি ও বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
আজ শনিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তারেক রহমান বলেন, “জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি। বিভাজন দুর্বলতা।”
গত বৃহস্পতিবার ভোটে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ঘোষিত ২৯৭টি আসনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংসদের বৃহত্তম দলে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে। এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মোট সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, “যেকোনো মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। বেআইনি কার্যক্রম ও বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। দুর্বলের ওপর আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।”
দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “শত নির্যাতনের পরেও আপনারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অটুট ছিলেন। এবার দেশ গড়ার পালা। আমি, আপনি আমাদের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “কোনো অপশক্তি যেন অপতৎপরতা চালাতে না পারে–এজন্য বিজয় মিছিল বের করতে নিষেধ করেছিলাম।”
তারেক রহমান বলেন, “দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের, গণতন্ত্রকামী জনগণের। আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন। সকল জনগণকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “এই নির্বাচনে বিজয় হয়েছে উদারপন্থী গণতন্ত্রের। আসুন, আমাদের তরুণ নেতা তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করি। নতুন যে সূর্য তার আলো নিজেদের আলোকিত করি, আসুন একসাথে নতুন বাংলাদেশে গড়ি।”
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।