
প্রতিবেদক, বিডিজেন

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাছাই পর্বের সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারানোর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের দরজা খুলে যায় বাংলাদেশের।
একই গ্রুপে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ডিএল পদ্ধতিতে ২১ রানের জয় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত করে।
৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্টে নেদারল্যান্ডস রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে বিশ্বকাপে পৌঁছেছে।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর আপার মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপদে পড়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন ওপেনার দিলারা আক্তার। এরপর তিনে নেমে মাত্র ১১ রান করে ফেরেন শারমিন আক্তার। ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে যখন চাপে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দলকে টেনে তোলেন দুই তরুণ ব্যাটার–জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি।
তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৮২ বলে ১১০ রানের জুটি। ৪৫ বলে ৫৬ রান করে আউট হন জুয়াইরিয়া–যেখানে ছিল ৩ চার ও ৪ ছক্কা। বাংলাদেশের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডে স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে নিজের নাম লেখান তিনি। অপরদিকে সোবহানা ৪২ বলে করেন ৫৯ রান।
শেষদিকে রিতু মনির ঝড়ো ৬ বলে ১৫ রানে বাংলাদেশ থামে ১৬৫ রানে।
জবাবে থাইল্যান্ড শুরুতেই ধাক্কা খায় মারুফা আক্তারের বলে সুয়ানান খাইওতোকে হারিয়ে। এরপর নানাপাত ও নাত্থাকানের ৬৭ রানের জুটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থাইল্যান্ড থামে ১২৬ রানে।
বাংলাদেশের হয়ে মারুফা নেন ৩ উইকেট। স্বর্ণা ও রিতু মনির ঝুলিতে ২টি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ৩০ জানুয়ারি, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার সিক্সের দ্বিতীয় ম্যাচ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৬৫/৮ (জুয়াইরিয়া ৫৬, সোবহানা ৫৯, রিতু ১৫, শারমিন ১১; পুত্থাওয়াং ৩/২২, ওনিচা ২/২৯)।
থাইল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৬/৮ (চ্যান্থাম ৪৬, চাইউই ৩০, কোনচারোয়নকাই ২৯; মারুফা ৩/২৫, রিতু ২/২০, স্বর্ণা ২/২১)।
ফল: বাংলাদেশ ৩৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সোবহানা মোস্তারি

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাছাই পর্বের সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারানোর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের দরজা খুলে যায় বাংলাদেশের।
একই গ্রুপে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের ডিএল পদ্ধতিতে ২১ রানের জয় বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত করে।
৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্টে নেদারল্যান্ডস রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে বিশ্বকাপে পৌঁছেছে।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর আপার মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপদে পড়ে। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন ওপেনার দিলারা আক্তার। এরপর তিনে নেমে মাত্র ১১ রান করে ফেরেন শারমিন আক্তার। ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে যখন চাপে বাংলাদেশ, তখন ব্যাট হাতে দলকে টেনে তোলেন দুই তরুণ ব্যাটার–জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি।
তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৮২ বলে ১১০ রানের জুটি। ৪৫ বলে ৫৬ রান করে আউট হন জুয়াইরিয়া–যেখানে ছিল ৩ চার ও ৪ ছক্কা। বাংলাদেশের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডে স্বর্ণা আক্তারের সঙ্গে নিজের নাম লেখান তিনি। অপরদিকে সোবহানা ৪২ বলে করেন ৫৯ রান।
শেষদিকে রিতু মনির ঝড়ো ৬ বলে ১৫ রানে বাংলাদেশ থামে ১৬৫ রানে।
জবাবে থাইল্যান্ড শুরুতেই ধাক্কা খায় মারুফা আক্তারের বলে সুয়ানান খাইওতোকে হারিয়ে। এরপর নানাপাত ও নাত্থাকানের ৬৭ রানের জুটি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থাইল্যান্ড থামে ১২৬ রানে।
বাংলাদেশের হয়ে মারুফা নেন ৩ উইকেট। স্বর্ণা ও রিতু মনির ঝুলিতে ২টি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।
বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ৩০ জানুয়ারি, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার সিক্সের দ্বিতীয় ম্যাচ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৬৫/৮ (জুয়াইরিয়া ৫৬, সোবহানা ৫৯, রিতু ১৫, শারমিন ১১; পুত্থাওয়াং ৩/২২, ওনিচা ২/২৯)।
থাইল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৬/৮ (চ্যান্থাম ৪৬, চাইউই ৩০, কোনচারোয়নকাই ২৯; মারুফা ৩/২৫, রিতু ২/২০, স্বর্ণা ২/২১)।
ফল: বাংলাদেশ ৩৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সোবহানা মোস্তারি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।