
বিডিজেন ডেস্ক

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ক্ষুদ্র উদ্যোগ বিকাশের মাধ্যমে পিকেএসএফ সারাদেশে ছোট ছোট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করবে। তারা স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ঢাকার পিকেএসএফ ভবনে ২০২৫-২০৩০ মেয়াদে পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, পিকেএসএফের সকল কর্মকাণ্ড এমনভাবে ডিজিটালাইজেশন করা হবে যেন একজন ঋণ গ্রহীতা ঘরে বসে তার ঋণের চাহিদা জানাতে এবং টাকা ছাড়করণ করতে পারে।
দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থ-সামাজিক ও প্রযুক্তিগত পটভূমির প্রেক্ষিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আগামী ২০২৫-২০৩০ মেয়াদের জন্য পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিকল্পনার বিষয়ে সহযোগী সংস্থাসমূহের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে পিকেএসএফের র্শীষস্থানীয় ৩০টি সহযোগী সংস্থার প্রধান নির্বাহীগণের অংশগ্রহণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদেরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের টেকসই উন্নয়নে পিকেএসএফের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করার আহবান জানান। এ ছাড়া, ক্ষুদ্র অর্থায়ন খাতে ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়ন, নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি নিরসন এবং ক্ষুদ্র অর্থায়ন খাত ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে তহবিল সরবারহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরো সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধ করেন। বিজ্ঞপ্তি

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ক্ষুদ্র উদ্যোগ বিকাশের মাধ্যমে পিকেএসএফ সারাদেশে ছোট ছোট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করবে। তারা স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
গত মঙ্গলবার (২৭ মে) ঢাকার পিকেএসএফ ভবনে ২০২৫-২০৩০ মেয়াদে পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জাকির আহমেদ খান বলেন, পিকেএসএফের সকল কর্মকাণ্ড এমনভাবে ডিজিটালাইজেশন করা হবে যেন একজন ঋণ গ্রহীতা ঘরে বসে তার ঋণের চাহিদা জানাতে এবং টাকা ছাড়করণ করতে পারে।
দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থ-সামাজিক ও প্রযুক্তিগত পটভূমির প্রেক্ষিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আগামী ২০২৫-২০৩০ মেয়াদের জন্য পিকেএসএফের কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই পরিকল্পনার বিষয়ে সহযোগী সংস্থাসমূহের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে পিকেএসএফের র্শীষস্থানীয় ৩০টি সহযোগী সংস্থার প্রধান নির্বাহীগণের অংশগ্রহণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদেরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের টেকসই উন্নয়নে পিকেএসএফের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করার আহবান জানান। এ ছাড়া, ক্ষুদ্র অর্থায়ন খাতে ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়ন, নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি নিরসন এবং ক্ষুদ্র অর্থায়ন খাত ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে তহবিল সরবারহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরো সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধ করেন। বিজ্ঞপ্তি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।