
প্রতিবেদক, বিডিজেন

মাসুমা রহমান নাবিলার শুরুটা ছিল উপস্থাপনা দিয়ে। এরপর নাটকে অভিনয় করেন। ছোটপর্দার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটা সময় বড় পর্দায় অভিষেকও ঘটে।
প্রথম সিনেমা ‘আয়নাবাজি’ মুক্তির পর নাবিলাকে নিয়ে চলে আলোচনা। এরপর একাধিক সিনেমায় অভিনয় করলেও ২০২৪ সালে ‘তুফান’ মুক্তির পর নাবিলাকে নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়। এই সিনেমায় নাবিলা অভিনয় করেছেন দেশের চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় তারকা শাকিব খানের বিপরীতে।
‘তুফান’ সিনেমার সময়ই জানা যায়, নাবিলা আরেকটি চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ করেছেন। সেই ছবির নাম ‘বনলতা সেন’। এখন এই ছবিটির অপেক্ষায় আছেন তিনি।
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত বনলতা সেন চলচ্চিত্রের অন্যতম চরিত্রে আছেন নাবিলা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ছবিটির শুটিং হয়। সরকারি অনুদানের এই ছবিটি চলতি বছরে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে, সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় এমনটাই জানিয়েছেন নাবিলা।

তিনি বললেন, ‘সবাই জানে আমি খুব বেশি কাজ করি না। আমার বেশি ব্যস্ততা উপস্থাপনা নিয়ে, এখনও তাই। তবে এর মাঝে একটি সিনেমার কাজ শেষ করেছি, “বনলতা সেন”। এটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। আমার খুব পছন্দের একটি কাজ। আমি যতটা জানি এ বছরের প্রথমভাগে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তাই বনলতা সেনের অপেক্ষায় আছি।’
২০২৩ সালের শুরুর দিকে শুটিং শুরু হয় নাবিলা অভিনীত ‘বনলতা সেন’ সিনেমার। ২০২১-২২ সালের সরকারি অনুদান পায় ‘বনলতা সেন’। এ ছাড়া, বর্তমানে দেশের ২টি বেসরকারি টেলিভিশনে উপস্থাপনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাবিলা।
অভিনয়ের বাইরে নাবিলা উপস্থাপনা করেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হিসেবেও কাজ করেন। ১৮ বছর আগে টেলিভিশনে উপস্থাপনার মাধ্যমে বিনোদন জগতে কাজ শুরু তাঁর। এরপর বেশকিছু বিজ্ঞাপনে কাজের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে। অমিতাভ রেজা পরিচালিত ‘আয়নাবাজি’র মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর যাত্রা শুরু। ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। নাবিলার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘১৯৭৫ অ্যান আনটোল্ড স্টোরি’।

মাসুমা রহমান নাবিলার শুরুটা ছিল উপস্থাপনা দিয়ে। এরপর নাটকে অভিনয় করেন। ছোটপর্দার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটা সময় বড় পর্দায় অভিষেকও ঘটে।
প্রথম সিনেমা ‘আয়নাবাজি’ মুক্তির পর নাবিলাকে নিয়ে চলে আলোচনা। এরপর একাধিক সিনেমায় অভিনয় করলেও ২০২৪ সালে ‘তুফান’ মুক্তির পর নাবিলাকে নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়। এই সিনেমায় নাবিলা অভিনয় করেছেন দেশের চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় তারকা শাকিব খানের বিপরীতে।
‘তুফান’ সিনেমার সময়ই জানা যায়, নাবিলা আরেকটি চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ করেছেন। সেই ছবির নাম ‘বনলতা সেন’। এখন এই ছবিটির অপেক্ষায় আছেন তিনি।
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত বনলতা সেন চলচ্চিত্রের অন্যতম চরিত্রে আছেন নাবিলা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ছবিটির শুটিং হয়। সরকারি অনুদানের এই ছবিটি চলতি বছরে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে, সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় এমনটাই জানিয়েছেন নাবিলা।

তিনি বললেন, ‘সবাই জানে আমি খুব বেশি কাজ করি না। আমার বেশি ব্যস্ততা উপস্থাপনা নিয়ে, এখনও তাই। তবে এর মাঝে একটি সিনেমার কাজ শেষ করেছি, “বনলতা সেন”। এটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। আমার খুব পছন্দের একটি কাজ। আমি যতটা জানি এ বছরের প্রথমভাগে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তাই বনলতা সেনের অপেক্ষায় আছি।’
২০২৩ সালের শুরুর দিকে শুটিং শুরু হয় নাবিলা অভিনীত ‘বনলতা সেন’ সিনেমার। ২০২১-২২ সালের সরকারি অনুদান পায় ‘বনলতা সেন’। এ ছাড়া, বর্তমানে দেশের ২টি বেসরকারি টেলিভিশনে উপস্থাপনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাবিলা।
অভিনয়ের বাইরে নাবিলা উপস্থাপনা করেন। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হিসেবেও কাজ করেন। ১৮ বছর আগে টেলিভিশনে উপস্থাপনার মাধ্যমে বিনোদন জগতে কাজ শুরু তাঁর। এরপর বেশকিছু বিজ্ঞাপনে কাজের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে। অমিতাভ রেজা পরিচালিত ‘আয়নাবাজি’র মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর যাত্রা শুরু। ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। নাবিলার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘১৯৭৫ অ্যান আনটোল্ড স্টোরি’।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।