
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও ব্যবসার সম্প্রসারণে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল মেইজ অ্যান্ড হুইট ইমপ্রুভমেন্ট সেন্টারের (সিআইএমএমওয়াইটি) মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার (৮ জুন) এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। সিআইএমএমওয়াইটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ওয়েন ক্যালভার্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রম ও অর্জনসমূহ উপস্থাপন করেন।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত জার্মপ্লাজম, উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহনশীল জাত উদ্ভাবন, রোগবালাই মোকাবিলা, সংরক্ষণশীল কৃষি (যেমন স্বল্প চাষে/বিনা চাষে ফসল উৎপাদন), আন্তঃফসল চাষ, ফসল উৎপাদন পরবর্তী ক্ষতি হ্রাস, প্রশিক্ষিত খামারিভিত্তিক লিভিং লাইব্রেরি, পর্যায়ক্রমিক ভেজানো ও শুকানো (এডব্লিউডি) প্রযুক্তিভিত্তিক কার্বন ট্রেডিং, কৃষকবান্ধব স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস সংবলিত অ্যাপের ব্যবহার, কৃষকবান্ধব কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে নানাবিধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের উদ্যোগ বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় উন্নয়ন এবং কৃষিকে অধিকতর সহনশীল ও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডসমূহ সম্প্রসারণে পিকেএসএফ ও সিআইএমএমওয়াইটি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই দুই পক্ষ শিগগিরই পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণপূর্বক একযোগে কাজ করে টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

বাংলাদেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও ব্যবসার সম্প্রসারণে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল মেইজ অ্যান্ড হুইট ইমপ্রুভমেন্ট সেন্টারের (সিআইএমএমওয়াইটি) মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার (৮ জুন) এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিকেএসএফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের। সিআইএমএমওয়াইটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ওয়েন ক্যালভার্টের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রম ও অর্জনসমূহ উপস্থাপন করেন।
সিআইএমএমওয়াইটির উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সিআইএমএমওয়াইটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বিশেষ করে গম ও ভুট্টা উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত জার্মপ্লাজম, উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু-সহনশীল জাত উদ্ভাবন, রোগবালাই মোকাবিলা, সংরক্ষণশীল কৃষি (যেমন স্বল্প চাষে/বিনা চাষে ফসল উৎপাদন), আন্তঃফসল চাষ, ফসল উৎপাদন পরবর্তী ক্ষতি হ্রাস, প্রশিক্ষিত খামারিভিত্তিক লিভিং লাইব্রেরি, পর্যায়ক্রমিক ভেজানো ও শুকানো (এডব্লিউডি) প্রযুক্তিভিত্তিক কার্বন ট্রেডিং, কৃষকবান্ধব স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস সংবলিত অ্যাপের ব্যবহার, কৃষকবান্ধব কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ইত্যাদি বিষয়ে নানাবিধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। তাদের উদ্যোগ বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় উন্নয়ন এবং কৃষিকে অধিকতর সহনশীল ও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডসমূহ সম্প্রসারণে পিকেএসএফ ও সিআইএমএমওয়াইটি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই দুই পক্ষ শিগগিরই পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণপূর্বক একযোগে কাজ করে টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”